জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম (এনআইসিটিএফ) সম্পর্কে সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রচারিত ‘সদস্য বহিষ্কার’ সংক্রান্ত সংবাদকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনটি জানিয়েছে, সংগঠনে কোনো সদস্য বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি। গত সোমবার (২৯ জুন) অনুষ্ঠিত জরুরি বিশেষ সাধারণ সভার মাধ্যমে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুমোদন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি পুনর্গঠন ও দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে এসব তথ্য জানায় জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম।
এতে উল্লেখ করা হয়, উক্ত সভায় তৎকালীন সভাপতি রাফেল কবিরের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপিত হলে উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ফোরামের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শাহ জে মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ঘোষণা করা হয়। পরে, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহ জে মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রওশন কামাল জেমসকে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের ১০১ সদস্যবিশিষ্ট ত্রি-বার্ষিক কমিটি পুনর্গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
সংগঠনটি আরও জানায়, আইসিটি সেক্টরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং সংগঠনের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে স্বার্থান্বেষী একটি মহল পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়াচ্ছে। সংগঠনের সদস্যরা, শুভানুধ্যায়ী এবং আইসিটি খাতের অংশীজনদের এই ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পুনর্গঠিত ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির তালিকা
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান। উপদেষ্টারা হলেন— এইচ এম সাইফ আলী খান, ফয়সাল আলিম, অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম, প্রকৌশলী রাফেল কবির, আব্বাস ফারুক, অধ্যাপক এ এন কে জামান ও ড. আতিকুর রহমান।
সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. শাহ জে মিয়া। সহ-সভাপতি— অধ্যাপক ড. কুদরত ই জাহান, মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম, ব্যারিস্টার নাজমুস সালেহীন, সায়মা শওকত, মো. আরফাতুর রহমান আপেল, মো. আসাদুজ্জামান রুবেল, প্রকৌশলী এইচ এম মঈনুল ইসলাম, ইমতিয়াজ মির্জা ও নাফিস ওয়াহিদ।
সাধারণ সম্পাদক মো. রওশন কামাল জেমস। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক— এ এইচ এম রোকমুনুর জামান রনি, রিয়াদ হাসনাইন, হাসিবুর রশিদ ও সজিব বড়ুয়া।
সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. জুয়েল। দপ্তর সম্পাদক শামীম আজাদ। অর্থ সম্পাদক নাউয়িদ হোসেন। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ সৈকত। গবেষণা সম্পাদক— কাজী ইমরুল হাসান, জুবায়ের রিয়াল, নিশাত আনজুম, হুমায়ুন কবির মুকুল ও ইলিয়াস মোল্লা। স্টার্ট-আপ ও এন্টারপ্রেনরশিপ সম্পাদক ফেরদৌস আলম ইপন।
সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. আলী রুবেল। ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার শামসুজ্জামান লেমন। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক তাপিত হাসান চৌধুরী। আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. আল-মামুন। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাজিবা ওয়াজিহা মাহবুব। সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাদিম হৃদয়। স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল ইসলাম। আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসিবুর রহমান সাফিন, মাকসুদ হোসাইন। সহ-দপ্তর সম্পাদক কাজী মুকিতুজ্জামান, মো. ফুয়াদ হাসান। সহ-অর্থ সম্পাদক কুতুব ই জাহান। সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
মিনহাজ উস সালেকীন ফাহমি ও রাশেদ উল হক সরকার।
এ ছাড়া, নির্বাহী সদস্যরা হলেন— এ এইচ এম ওবায়দুর রহমান চন্দন, মোসা. জান্নাতুল হক (শাপলা), আল মেহেদী তালুকদার, ড. আরমান আহমেদ সিদ্দিকী, প্রকৌশলী মো. শাহিন হাওলাদার, প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম, মো. ফারুক হোসেন বিপুল, আল মেহেদী তালুকদার, রেজওয়ানুল হক শোভন, প্রকৌশলী মোহাম্মদ মায়েন উদ্দিন, প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রকৌশলী মো. মাইনুল হাসান, প্রকৌশলী মো. মাইনুল হাসান রনি, নুরুজ্জামান লেখন, রূপম রাজ্জাক, সাকিব কাদের চৌধুরী, ব্যারিস্টার নাজমুস সালেহীন, কাজী তানভিরুল হক হিমেল, এ কে আজাদ কল্লোল, মামুন অর রশিদ, সাব্বির হোসেন, হাসিব মুস্তাবসির, মো. ফেরোজ আলম, মো. মুক্তাদির, প্রকৌশলী মাহবুব শাহীন, মো. শহিদুল ইসলাম খান, সানাউল করিম, নূর মোহাম্মদ, মো. হাসান মাহবুব, প্রকৌশলী সুজাউর রহমান, প্রকৌশলী নূর আলম সুমন, নুরুল ইসলাম, আব্দুল সালাম প্রিন্স, শাওন মাহমুদ, আব্দুল মোমিন, রানা আবুল বাসার, আরমান হাকিম, ফাজলে রাব্বি, ফারজানা আক্তার ইলা, মাহিউদ্দিন শিবলী, মো. বায়েজিদ হোসেন, মো. আল রায়হান, মো. আবরার জসিম, মো. সাইফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, আবু সালে মো. জোবায়ের আলম, মো. সাব্বির ইসলাম, মো. জামিল ও মোস্তফা মোহাম্মদ নোমান।
এসএএস
