রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐকের মনোনীত প্রার্থী করা হয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যতম শীর্ষ নেতা ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমকে।
সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টায় ইসিতে উপস্থিত হয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদের কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল আব্দুল বাতেন (অব.), ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসেনসহ ১১ দলীয় ঐকের প্রতিনিধিরা।
এর আগে গতকাল রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডের জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে আসন্ন নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সর্বসম্মতভাবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যতম শীর্ষ নেতা ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের নাম চূড়ান্ত করা হয়।
পরবর্তী সময়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের জন্য আমরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। সবক্ষেত্রে রাজনীতি স্বচ্ছ হওয়া উচিত। আমরা চাই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের গতি ও সুস্থ ধারা ফিরে আসুক। এ জন্য আমরা সর্বসম্মতক্রমে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রমকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করেছি।
ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আমি বাংলাদেশের জনগণ ও ১১ দলের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। সবাই মনে করেছে আমি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে একজন পরীক্ষিত লোক এবং আমার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই, শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। সুন্দরভাবে জীবনযাপন করছি। এজন্য সবাই আমাকে মনোনীত করেছেন।
তিনি বলেন, আমি আমাদের জায়গা থেকে এ জাতির সঙ্গে বেঈমানি করব না। হারবো না জিতবো সেটি প্রশ্ন না- জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং মানুষের জন্য যেটা ভালো, সেটার জন্য সবসময় কাজ করব। সেইজন্য আজ একসঙ্গে হয়েছি এবং সবাই আমার নাম প্রস্তাব করেছে।
জেইউ/আরএফ
