বিজ্ঞাপন

মশাল মিছিলের সময় পুলিশ দেখে পালালেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ কর্মীরা

মশাল মিছিলের সময় পুলিশ দেখে পালালেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ কর্মীরা

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ব্যানারে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। এই মিছিলে অন্তত অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির মশাল মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ততক্ষণে তারা পালিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। 

পুলিশ বলছে, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের চুনতি বাজার এলাকা সংলগ্ন বিলের মাঝখানের একটি সড়কে মিছিলের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক দল সেখানে পৌঁছালে ততক্ষণে তারা পালিয়ে যায়।

প্রায় তিন মিনিট ৫৩ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ৪০ থেকে ৫০ জনের একদল যুবক হাতে মশাল নিয়ে স্লোগান দিয়ে মিছিল করছেন। মিছিল শেষে একটি বাজারে গিয়ে হাতের মশালের আগুন দিয়ে রাস্তার মাঝখানে বিক্ষোভ করতে থাকেন তারা। মিছিল ও বিক্ষোভ শেষে তারা কোন দিকে গেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এ সময় মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা 'শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে', 'শেখ হাসিনা সরকার, বারবার দরকার', 'বাঁশখালীতে সেলিম ভাই, শেখ হাসিনার ভয় নাই', 'গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নইলে গদি ছাইড়া দে', 'অবৈধ সরকার মানি না, মানবো না' এবং 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, 'ভিডিওটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ গিয়েছিল। জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।' 

এর আগে, গত বুধবার রাতে উপজেলার তৈলারদ্বীপ সেতুসংলগ্ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একটি মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি কে. এম. পারভেজ উদ্দিনের ব্যানারে অর্ধশতাধিক কর্মীর অংশগ্রহণে ওই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে জানা গেছে।

আতিকুল হা-মীম/ এনটি