বিজ্ঞাপন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সিন্ডিকেট করার অভিযোগ তুললেন সারজিস আলম

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সিন্ডিকেট করার অভিযোগ তুললেন সারজিস আলম

সরকারি কর্মকর্তাদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের নামে টালবাহানা করা হচ্ছে এবং মালয়েশিয়ায় প্রবাসী কর্মীদের কর্মসংস্থানের নামে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে সিন্ডিকেট চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের স্টেশন রোড এলাকার একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সারজিস আলম। এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরের আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়েবের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম বলেন, ‘বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তাদের যে বেতন দেওয়া হয়, তা দিয়ে ১৫ দিনও চলা সম্ভব হয় না। পে-স্কেল বাস্তবায়নের নামে সরকারের পক্ষ থেকে টালবাহানা করা হচ্ছে। আমরা জোর আহ্বান জানাব, আগামী মাস থেকেই যেন নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়।’ 

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘প্রবাসী ও তাদের স্বজনদের প্রতিনিয়ত হেনস্তা করা হচ্ছে। মালেশিয়ায় কর্মসংস্থানের নামে আবারও ২৫ জনের সিন্ডিকেট করা হয়েছে। আমরা জানতে পারছি, প্রধানমন্ত্রীসহ তার কাছের কিছু লোক এই সিন্ডিকেটে সরাসরি যুক্ত।’ 

সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম আরও বলেন, ‘বর্ষা শেষ হতে না হতেই চট্টগ্রামের নীতিনির্ধারকদের স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে শুরু করে। বর্ষা এলেই তারা নাটক বা শুটিং করা শুরু করেন। আগামী বর্ষায় আমরা এই দৃশ্য আর দেখতে চাই না। নির্বাচিত সরকারের ৬ মাস যেতে না যেতেই আমরা পূর্ববর্তী সরকারের চরিত্র দেখতে পাচ্ছি, যা ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদ কায়েমের পুনর্বাসনের স্পষ্ট ইঙ্গিত।’ 

চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য খাত ও যাতায়াত ব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের রাস্তার যে অবস্থা, মনে হয় অসুস্থ মানুষ হাসপাতালে না গিয়ে ঘরে বসে থাকলেই ভালো হবে। বাণিজ্যিক রাজধানী হয়েও কেন আমাদের সামান্য চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যেতে হবে?’ 

তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় পার্টির মতো আওয়ামী লীগের পোষা দল আমরা আর বাংলাদেশে দেখতে চাই না। বর্তমানের বিরোধীদলকেও জাতীয় পার্টির মতো মনে করা ঠিক হবে না।’

এছাড়া আগামীতে এনসিপি এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে এবং প্রতিটি সেক্টরে একক প্রার্থী ঘোষণা করবে বলে জানান তিনি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও আলী আহসান জুনায়েদ, জাতীয় যুব শক্তির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল, জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক আবু বকর মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ এবং এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম সুজাউদ্দিন।

এসএম