নেপালি চিকিৎসকদের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের মতবিনিময় সভা

কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী নেপালি চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ দ্য অ্যাম্বাসেডর’ শীর্ষক একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। রোববার (২৫ জানুয়ারি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, এ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী নেপালি চিকিৎসক ও পেশাজীবীদের নিয়ে একটি বৃহত্তর অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন/প্ল্যাটফর্ম গঠনের পথ সুগম করা, যাতে দূতাবাসের সমন্বয় ও সহায়তায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা যায়।
নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন, যা অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
তিনি নেপালি সমাজ ও অর্থনীতিতে চিকিৎসা পেশাজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করে দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে একটি অ্যালামনাই কমিউনিটি/অ্যাসোসিয়েশন গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং উল্লেখ করেন যে, এর পূর্ণ সম্ভাবনা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি।
এই প্রেক্ষাপটে তিনি প্রস্তাবিত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের পথে অনুষ্ঠানটিকে একটি প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যা পারস্পরিক যোগাযোগ, নেটওয়ার্কিং, ও সহযোগিতার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।
১৯৭০-এর দশকের গ্র্যাজুয়েট থেকে শুরু করে ২০২৫ সালের সদ্য স্নাতকসহ প্রায় ৮০ জন জ্যেষ্ঠ ও নবীন চিকিৎসক ও চিকিৎসা পেশাজীবী এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তারা তাদের বাংলাদেশে থাকাকালীন শিক্ষাজীবন, পেশাগত এবং অন্যান্য অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করেন।
একইসঙ্গে প্রস্তাবিত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সম্পর্কে গঠনমূলক মতামত ও প্রস্তাবনা দেন, যা বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের দৃঢ় সংযোগ ও বাংলাদেশ নিয়ে তাদের গভীর আগ্রহের প্রতিফলন। রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের মতামত গুরুত্বের সঙ্গে নোট করেন।
এনআই/এসএসএইচ