কুয়েতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে স্থানীয় বিধিনিষেধ আর যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে কুয়েতে পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। অনেকটা অনাড়ম্বর পরিবেশে আজ (শুক্রবার) স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৮ মিনিটে দেশটির বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞাপন
বর্তমান পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা বিবেচনায় এবার দেশটির সবচেয়ে বড় কেন্দ্রীয় মসজিদ কিংবা খোলা মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানে ঈদের জামাত আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এর পরিবর্তে স্থানীয় সাপ্তাহিক জুমার মসজিদগুলোতে ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়।
কুয়েত সিটি, ফরওয়ানিয়া ও হাসাবিয়াসহ বাংলাদেশি অধ্যুষিত প্রায় ২৫টি এলাকার জামে মসজিদে বাংলাদেশি খতিবরা বাংলায় ঈদের খুতবা পাঠ করেন। বিদেশের মাটিতে নিজ মাতৃভাষায় খুতবা শোনার আকুলতায় আশপাশের অঞ্চলগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী সপরিবারে ও বন্ধুদের নিয়ে এসব মসজিদে সমবেত হন।
নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতে ফিলিস্তিনসহ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য দোয়া করা হয়। তবে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে ঈদ উপলক্ষ্যে এবার যেকোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পার্টি বা গণজমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন এবার 'বাংলাদেশ হাউস'-এ প্রবাসীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠান স্থগিত করেন।
বিজ্ঞাপন
ঈদের নামাজ ও শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রবাসীরা মুঠোফোনে দেশে থাকা স্বজনদের সঙ্গে গল্প ও আড্ডায় মেতে ওঠেন। উৎসবের আবহেও জীবিকার প্রয়োজনে অনেককেই দ্রুত কর্মস্থলে ফিরে যেতে দেখা গেছে।
বিআরইউ