মালয়েশিয়ার ১৯টি অভিবাসন আটক কেন্দ্রে বর্তমানে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দী থাকা সত্ত্বেও, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (কেডিএন) ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে অভিবাসন অভিযান কমাবে না।
সোমবার (২৭ জুলাই) মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাসিক সভায় দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসিতান ইসমাইল এ তথ্য জানান।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আইন প্রয়োগের প্রচেষ্টা অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ এগুলো জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বিদেশী নাগরিকরা যাতে দেশের আইন মেনে চলেন, তাও নিশ্চিত করতে হবে। এখানে জীবিকা নির্বাহের জন্য আসতে পারেন, কিন্তু তাদের অবশ্যই আমাদের আইন মেনে চলতে হবে।
তিনি আরও বলেছেন, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তারা প্রবেশ করতে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করতে বা তাদের পাসের অপব্যবহার করতে পারবে না। যদি আমরা তাদের আইন লঙ্ঘন করতে দেখি, তাহলে তাদের আটক করার ক্ষমতা আমাদের আছে।
সাইফুদ্দিন স্বীকার করেছেন যে অভিবাসন আটক কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে বেসরকারি সংস্থাসহ বিভিন্ন মহল থেকে, বিশেষ করে মানবিক উদ্বেগের কারণে সমালোচনা হয়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, সরকারকে অবশ্যই আইন প্রয়োগ এবং আটক করা ব্যক্তিদের কল্যাণ নিশ্চিত করার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।
মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সাম্প্রতিক এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের ফলাফল তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো ইন্দোনেশীয় নাগরিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, প্রাবোও এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দেশের অভ্যন্তরীণ আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ইন্দোনেশীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার পদক্ষেপ যৌক্তিক। যদি ইন্দোনেশীয় নাগরিকরা মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরীণ আইন লঙ্ঘন করে, তাহলে মালয়েশীয় সরকারের উচিত দেশের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।
এসএএস
