• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

  1. ধর্ম

বিনা অনুমতিতে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা যাবে কি?

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক
১৮ মে ২০২২, ১২:৩২
অ+
অ-
বিনা অনুমতিতে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রতীকী ছবি

আমার বন্ধু তার একজন পরিচিতের ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)-এর সঙ্গে আমার ফোন যুক্ত করে দিয়েছে। কিন্তু তার পরিচিত মানুষটি এই ব্যাপারে জানে না। এখন আমি কি সেই ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) ব্যবহার করতে পারব? সেটা দিয়ে ইসলামিক ভিডিও বা অন্য যেকোনো ধরনের কিছু ডাউনলোড করতে পারব? মানে আমার প্রশ্ন হচ্ছে- এতে কি আমি তার হক নষ্ট করছি?

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও ওয়াই-ফাই কানেকশন দিয়ে কেউ মন্দ কোনো কাজ করলে— ওই কাজের পাপ কী যার নামে ওয়াই-ফাই লাইন রয়েছে, তার ওপর বর্তাবে? সেও কি গুনাহগার হবে? একটু জানালে ভালো হয়।

অনুমতি ছাড়া ওয়াই-ফাই ব্যবহার জায়েজ আছে কি?

প্রথম প্রশ্নের স্পষ্ট ও সহজ উত্তর হলো- বিনা অনুমতিতে অন্যের ওয়াই-ফাই ব্যবহার কোনোভাবেই জায়েজ নেই। তাছাড়া বিনা অনুমতিতে অন্যের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা এক প্রকার প্রতারণা ও হক নষ্ট করার শামিল।

বিজ্ঞাপন

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না। কেবলমাত্র তোমাদের পরস্পরের সম্মতিক্রমে যে ব্যবসা করা হয়— তা বৈধ। আর তোমরা নিজেদের কাউকে হত্যা করো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তোমাদের প্রতি দয়ালু।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ২৯)

আর পাসওয়ার্ড হ্যাক করে বা অন্য কোনোভাবে বিনা অনুমতিতে অন্যের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করাটা এক ধরনের জুলুম। অনুমতিহীন কারও কোনো কিছুতে হস্পক্ষেপের ক্ষেত্রে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘সাবধান! কারো ওপর জুলুম করবে না। সাবধান! কারও সম্পদ তার মনোতুষ্টি ছাড়া কারও জন্য হালাল নয়।’ (আহমাদ, হাদিস : ২০৬৯৫; শুআবুল ঈমান, হাদিস : ৫১০৫; ইরওয়া, হাদিস : ১৪৫৯; সহিহ আল-জামি, হাদিস : ৭৬৬২)

এছাড়াও অনুমতিহীন এসব কাজ চুরিও বটে, অথচ চুরি করা মুমিনের কাজ নয়। কারণ, চুরি যেমনই হোক— তা নিঃসন্দেহে সম্পূর্ণ হারাম। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘কোনো চোর (পূর্ণাঙ্গ) মুমিন থাকাবস্থায় চুরি করে না।’ (মুসলিম, হাদিস : ১০৬)

বিজ্ঞাপন

অন্যের ওয়াই-ফাই দিয়ে মন্দ কাজ করলে...

দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর হলো- যদি কেউ ওয়াই-ফাইয়ে যুক্ত থাকা অবস্থায় এর অপব্যবহার করে বা এর মাধ্যমে খারাপ ও গুনাহের কোনো কাজ করে; তাহলে ওয়াই-ফাই যদি মালিকের সম্মতিতে ব্যবহার হয়ে থাকে— তাহলে মালিকেরও গুনাহ হবে। অন্যথায় মালিকের গুনাহ হবে না। কেননা, আল্লাহ তাআলা বলেন- ‘তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতিতে একে অন্যের সহযোগিতা করো, গুনাহ ও জুলুমের কাজে একে অন্যের সহায়তা করো না।’ (সুরা মায়েদা, আয়াত : ০২)

আল্লাহর রাসুল (সা.) আরও বলেন, ‘ক্ষতি ও ক্ষতি সাধনের কোন অনুমতি নেই।’ (সুনানে দারাকুতনি, হাদিস : ৩০৭৯)

আরও পড়ুন : টাকার ব্যবসা করা জায়েজ কি?

বিনা অনুমতিতে কারও ওয়াই-ফাই ব্যবহার করাকে আমরা হয়ত হালকা বিষয় ভাবতে পারি। কিন্তু তা মোটেই ছোটখাটো কোনো বিষয় নয়। এমনকি ছোটখাটো বিষয়ের জন্যও আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে, শাস্তি পেতে হবে। তাই এ বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত।

অতএব, না জানিয়ে অন্যের ওয়াইফাই ব্যবহার করে থাকলে— আপনি এখনই তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে নেন কিংবা ওয়াইফাই ব্যবহার বন্ধ করে দিয়ে তার থেকে ক্ষমা চেয়ে নিন।

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

বিধানইসলাম

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

আপন ভাই-বোনকে ফিতরা দেওয়া যাবে?

আপন ভাই-বোনকে ফিতরা দেওয়া যাবে?

ইতিকাফের সময় মসজিদের ছাদে যাওয়া যাবে?

ইতিকাফের সময় মসজিদের ছাদে যাওয়া যাবে?

ইতিকাফের সময় ধূমপান করা কি ঠিক?

ইতিকাফের সময় ধূমপান করা কি ঠিক?

ফিতরার টাকা মসজিদ নির্মাণে ব্যবহার করা যাবে?

ফিতরার টাকা মসজিদ নির্মাণে ব্যবহার করা যাবে?