৩৬ বছর ধরে মসজিদুল হারামে খতম তারাবির দোয়া পরিচালনা করেন শায়খ সুদাইস

পবিত্র রমজান মাসের ২৯তম রাতে মক্কার মাসজিদুল হারামে খতমুল কোরআনের বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করবেন হারামাইন প্রেসিডেন্সির প্রধান ও প্রধান ইমাম শায়খ ড. আবদুর রহমান আস-সুদাইস। এর মাধ্যমে মসজিদুল হারামে টানা ৩৬ বছর কোরআন খতমের দোয়া পরিচালনার এক অনন্য রেকর্ড গড়বেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
মসজিদুল হারামে তারাবির নামাজে পবিত্র কোরআন খতম হওয়ার পর এই বিশেষ মোনাজাত করা হবে।
দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে একনিষ্ঠভাবে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন শায়খ সুদাইস। এবার তার এই বিরতিহীন রেকর্ড ৩৬ বছরে পা দিতে যাচ্ছে, যা বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে এক বিস্ময়কর মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
বিজ্ঞাপন
খতমুল কুরআন কী?
খতমুল কোরআন বলতে পবিত্র কোরআনের পুরো ৩০ পারা তিলাওয়াত সম্পন্ন করাকে বোঝায়। ঐতিহ্যগতভাবে রমজানের তারাবির নামাজের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা হয়। মসজিদুল হারামে সাধারণত রমজানের ২৯তম রাতে এই তিলাওয়াত শেষ হয় এবং এরপর দীর্ঘ মোনাজাত করা হয়। এই দোয়াটি প্রায় ৩০ মিনিট স্থায়ী হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
মুসল্লিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
বিজ্ঞাপন
রমজানের ২৯তম রাতে মসজিদুল হারামে তারাবিতে অংশ নিতে ইচ্ছুক মুসল্লি ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভিড় সামলাতে ওই রাতে একবার মসজিদ থেকে বের হলে পুনরায় প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি থাকবে। অর্থাৎ যারা মসজিদের ভেতরে জায়গা পাবেন, তারা বের হয়ে গেলে আবার ঢুকতে পারবেন না।
তাই মুসল্লিদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তারা যেন আগেভাগেই অজু করে এবং পর্যাপ্ত পানি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করেন। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই হারামে উপস্থিত হয়ে নিজের স্থান নিশ্চিত করার জন্য পুণ্যার্থীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর ২৯তম রমজানে এই দোয়া অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লক্ষ লক্ষ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। এবারও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বিশেষ এই প্রবেশ সংক্রান্ত নিয়ম বলবৎ থাকবে।
সূত্র : দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন
এনটি