মুসলমানদের কিবলা ও পৃথিবীর প্রাচীনতম ইবাদতখানা কাবা শরীফ। কাবা হলো মানবজাতির জন্য নির্মিত প্রথম ও সবচেয়ে প্রাচীন ইবাদতগৃহ। এটি একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের জন্য নির্ধারিত। মুসলমানরা নামাজে কাবার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে মূলত এক আল্লাহর অধীনে মানবজাতির ঐক্য ও জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে স্মরণ করে।
কোরআন ও হাদিস থেকে জানা যায়, কাবাই ছিল মানুষের জন্য স্থাপিত প্রথম ঘর, যেখানে আল্লাহর ইবাদত করা হয়। কোরআনের সুরা আলে ইমরানের ৯৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, মক্কায় অবস্থিত এই ঘরই মানবজাতির জন্য প্রথম নির্ধারিত ইবাদতগৃহ, যা বরকতময় এবং সারা বিশ্বের মানুষের জন্য পথনির্দেশনা।
ইয়াসির আহমেদ নামে এক ব্যক্তি পবিত্র কাবা শরীফের ভেতরে প্রবেশের সৌভাগ্য লাভ করেছিলেন ২০১৫ সালের ৩০ মে। কাবা থেকে বের হওয়ার পর তিনি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে নিজের ক্যামেরায় তোলা কাবার ভেতরের কিছু ছবি পোস্ট করেছেন।
এই সেই কোণ যেখানে বাইরের অংশে রুকন আল-ইয়ামানি অবস্থিত।


মেঝেতে থাকা চিহ্নটির স্থানে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) নামাজ পড়েছিলেন বলে মনে করা হয়।


কাবাঘরের কেন্দ্রস্থলে দুটি স্তম্ভের মাঝখানে লণ্ঠন ঝুলছে।

কাবাঘরের ছাদে যাওয়ার জন্য এই দরজা ব্যবহার করা হয়।

যেই শাসকেরা কাবা সংস্কার করেছিলেন, তাদের স্মরণে বিভিন্ন ফলক রয়েছে। এই ফলকটিতে নিম্নলিখিত লিপিতে খোদাই করা হয়েছে :
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি বিশ্বজগতের পালনকর্তা। এবং আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক সর্বশ্রেষ্ঠ রাসুল, আমাদের নেতা মুহাম্মদ (সাঃ), তার পরিবার এবং তার সকল সাহাবীর উপর। বরকতময় কাবা ঘরের সিঁড়ির সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছিল দুই পবিত্র স্থানের তত্ত্বাবধায়ক, মহামান্য বাদশাহ খালেদ বিন আব্দুল আজিজ আল সাউদের নির্দেশনায়, রবিউল আউয়াল মাস, ১৩৯৭ হিজরিতে। আল্লাহ তার নেক আমলসমূহ কবুল করুন, আমিন।

এই টেবিল ওপর সুগন্ধি রাখা হয়।

সূত্র : অ্যাবাউট ইসলাম
এনটি
