চলতি বছরের হজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ২০২৭ সালের হজের জন্য এখনই আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে সৌদি আরব। লাখ লাখ হাজির সেবা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা এড়াতে জোরদার করা হচ্ছে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যকার সমন্বয়। এবারের হজের ভুলত্রুটি ও সাফল্য মূল্যায়নের ভিত্তিতে আগামী বছরের জন্য আরও নিখুঁত ও দূরদর্শী কর্মপরিকল্পনা নেওয়ার সুপারিশ করেছেন দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা।
সৌদি আরবের সরকারি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, মক্কা অঞ্চলের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক প্রিন্সিপালিটি এজেন্সি এবং পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রামের হজ প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অফিসের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি তিন দিনব্যাপী এক বিশেষ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মশালায় হাজিদের সেবায় নিয়োজিত সরকারের ৬০টি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। মক্কার গভর্নর এবং হজ ও ওমরাহ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় এবং মক্কার ডেপুটি আমির প্রিন্স সৌদ বিন মিশালের তত্ত্বাবধানে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সদ্য সমাপ্ত ২০২৬ সালের হজের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতেই এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়। হজের সময় যেসব চ্যালেঞ্জ বা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন সেবা সংস্থার কাজের পরিধি ও দায়িত্ব নির্দিষ্ট করে দিয়ে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনাবিদেরা বলছেন, ২০২৭ সালের হজের সময় যেন কোনো ধরনের সংকট তৈরি না হয়, সেজন্য আগেভাগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হজের সময় অতিরিক্ত ভিড় ব্যবস্থাপনা, আবাসন এবং চিকিৎসা সেবার মান আরও বাড়াতে উন্নত প্রযুক্তির পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি নিখুঁত করার দিকেই এখন মূল নজর সৌদি কর্তৃপক্ষের।
এনটি
