ঘুমের সময় দেখা দুঃস্বপ্ন ও স্বপ্নের ব্যাখ্যা নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় ভোগেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যার জন্য গণক ও জ্যোতিষীদের শরণাপন্ন হন। তাদের সতর্ক করেছেন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) জুমার খুতবায় এ বিষয়ে সর্তক করেন তিনি।
স্বপ্নের ব্যাখ্যার জন্য গণক ও জ্যোতিষীদের শরণাপন্ন হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, সত্য স্বপ্ন বা রুয়া সুসংবাদ বয়ে আনতে পারে; তবে এর ভিত্তিতে ইসলামের কোনো বিধান নির্ধারণ করা যায় না।
তিনি স্বপ্নকে তিন ভাগে ভাগ করেন। প্রথমটি হলো, আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা সত্য স্বপ্ন। দ্বিতীয়টি হলো, শয়তানের পক্ষ থেকে আসা এমন স্বপ্ন যা মানুষকে কষ্ট ও উদ্বেগে ফেলে। এমন উদ্বেগজনক ও দুঃস্বপ্ন অন্যের কাছে প্রকাশ না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে হাদিসে। স্বপ্নের তৃতীয় প্রকারটি হলো, মানুষের দৈনন্দিন চিন্তা-ভাবনার প্রতিফলন।
ইমাম সালেহ বিন হুমাইদ বলেন, স্বপ্নের ব্যাখ্যার জন্য যথাযথ ধর্মীয় জ্ঞান প্রয়োজন। তাই এ বিষয়ে অসতর্কভাবে বা যথাযথ জ্ঞান ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।
একইদিনে মদিনার মসজিদে নববীতে জুমার খুতবা দিয়েছেন ইমাম ও খতিব শায়খ খালিদ আল-মুহান্না। তিনি বলেছেন, লজ্জাশীলতা নবীদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এবং ঈমানের মৌলিক একটি শাখা। লজ্জা মানুষকে প্রশংসনীয় কাজ করতে উৎসাহিত করে এবং অন্যায় থেকে বিরত থাকতে অনুপ্রাণিত করে।
তিনি বলেন, আল্লাহর কাছে জবাবদিহির অনুভূতি ও তার প্রতি আনুগত্য থেকেই লজ্জাশীলতার সৃষ্টি হয়। এটি মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য হতে পারে, আবার আত্মসংযম ও সাধনার মাধ্যমেও অর্জন করা যায়। নৈতিক উৎকর্ষ ও আধ্যাত্মিক প্রাণবন্ততার গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ হিসেবে লজ্জাশীলতা মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এনটি
