ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) মৃত্যুশয্যায় ছয়জন বিশিষ্ট সাহাবিকে নিয়ে শুরা বা পরামর্শ পরিষদ গঠন করেন এবং নতুন খলিফা নির্বাচনের জন্য নির্দিষ্ট সময়, পদ্ধতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো ঠিক করে দেন। দীর্ঘ পরামর্শ ও ব্যাপক মতামত গ্রহণের পর উসমান ইবনে আফফান (রা.)-এর হাতে খিলাফতের দায়িত্ব অর্পিত হয়।
ওমর (রা.) যখন মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতর, তখনও তিনি উম্মাহর ঐক্য ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। গুরুতর জখম ও প্রচণ্ড ব্যথার মধ্যেও তার জীবনের শেষ মুহূর্তগুলো ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এসব মুহূর্তে তার গভীর ঈমান, নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের পরিচয় ফুটে ওঠে।
সেই সংকটময় সময়ে ওমর (রা.) খলিফা নির্বাচনের এমন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন, যার নজির আগে ছিল না। এটি ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনায় তার গভীর প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার সুস্পষ্ট প্রমাণ।
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পর তিনি কাউকে সুস্পষ্টভাবে উত্তরসূরি হিসেবে মনোনীত করে যাননি। এরপর আবু বকর সিদ্দিক (রা.) ইন্তেকালের আগে তিনি বিশিষ্ট সাহাবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে ওমর (রা.)-কে খলিফা মনোনীত করেন। এ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সাহাবিদের মধ্যে ওমর (রা.)-এর যোগ্যতা ও দায়িত্ব বহনের সক্ষমতা সম্পর্কে ব্যাপক ঐকমত্য ছিল।
রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন ইন্তেকাল করেন, তখন প্রায় সবাই আবু বকর (রা.)-এর শ্রেষ্ঠত্ব ও অগ্রগণ্যতার বিষয়ে একমত ছিলেন। ফলে তার উত্তরসূরি নিয়ে বিরোধের সম্ভাবনা ছিল খুবই কম। বিশেষ করে রাসুলুল্লাহ (সা.) তার কথা ও কাজের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহকে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তার পর নেতৃত্বের জন্য আবু বকর (রা.)-ই সবচেয়ে উপযুক্ত।
অন্যদিকে আবু বকর (রা.) যখন ওমর (রা.)-কে খলিফা মনোনীত করেন, তখন তিনি জানতেন যে সাহাবিদের মধ্যে ওমর (রা.)-কে তার পর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও যোগ্য ব্যক্তি। তিনি বড় সাহাবিদের সঙ্গে পরামর্শ করেই তাকে মনোনীত করেন। তাদের কেউ এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেননি এবং ওমর (রা.)-এর হাতে বায়আতের বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
নতুন খলিফা নির্বাচনের পদ্ধতি
নতুন খলিফা নির্বাচনের ক্ষেত্রে ওমর (রা.) শুরা সদস্যদের সংখ্যা সীমি করেন। তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ছয়জন সাহাবিকে নির্বাচন করেন, যাদের প্রত্যেকেই খিলাফতের দায়িত্ব নেওয়ার যোগ্য ছিলেন, যদিও তাদের যোগ্যতার ক্ষেত্রে পার্থক্য ছিল।
তিনি তাদের জন্য নির্বাচন পদ্ধতি, সময়সীমা, খলিফা নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের সংখ্যা এবং মতবিরোধ হলে কীভাবে সিদ্ধান্ত হবে, তাও নির্ধারণ করে দেন। একই সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের জন্য একদল সৈন্যকে দায়িত্ব দেন। কেউ যেন দলীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যবস্থাও করেন। এমনকি আহলুল হাল ওয়াল আকদের পরিষদে কী আলোচনা হচ্ছে, তা শোনার বা সেখানে প্রবেশেরও সুযোগ যেন কেউ না পায়, সে নির্দেশ দেন।
শুরা পরিষদের সদস্য ছিলেন যারা
ছয়জন ছিলেন আলী ইবনে আবু তালিব, উসমান ইবনে আফফান, আবদুর রহমান ইবনে আওফ, সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, জুবায়ের ইবনে আওয়াম এবং তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রা.)। তাদের সবাই ছিলেন জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবিদের অন্তর্ভুক্ত।
সাঈদ ইবনে যায়েদ (রা.)-ও ছিলেন জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত ১০ সাহাবির একজন। কিন্তু ওমর (রা.) তাকে শুরার তালিকায় রাখেননি। সম্ভবত এর কারণ ছিল, সাঈদ (রা.) তার নিজ গোত্র বনু আদি গোত্রের ছিলেন। উমর (রা.) তার আত্মীয়দের শাসনক্ষমতা থেকে দূরে রাখতে অত্যন্ত সতর্ক ছিলেন। এমনকি যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজের আত্মীয় সাঈদ ইবনে যায়েদকে খলিফা পদপ্রার্থীদের তালিকা থেকে বাদ দেন।
নির্বাচনের সময়সীমা
ওমর ফারুক (রা.) পরামর্শের জন্য তিন দিন সময় নির্ধারণ করেছিলেন। তিনদিন ছিল সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময়। এর চেয়ে বেশি সময় পার হলে মতবিরোধ আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই তিনি তাদের বলেছিলেন, চতুর্থ দিন যেন অতিক্রান্ত না হয়।
খলিফা নির্বাচনের পদ্ধতি
ওমর (রা.) নির্দেশ দেন, শুরার সদস্যরা তাদের একজনের বাড়িতে একত্র হয়ে পরামর্শ করবেন। তাদের সঙ্গে আবদুল্লাহ ইবনে ওমরও থাকবেন। তবে তিনি শুধু পরামর্শ দেবেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার কোনো ভূমিকা থাকবে না। পরামর্শ চলাকালে সোহাইব রুমি (রা.) নামাজের ইমামতি করবেন। ওমর (রা.) তাকে বলেন, এই তিন দিন তুমি নামাজের ইমাম হবে।
এর উদ্দেশ্য ছিল, ছয়জনের কেউ যেন ইমামতি না করেন। কারণ তা হলে তার ইমামমতিকে ওমর (রা.)-এর পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তির খলিফা হওয়ার পক্ষে এক ধরনের ইঙ্গিত বা সমর্থন হিসেবে দেখা হতে পারত। এ ছাড়া ওমর (রা.) মিকদাদ ইবনে আসওয়াদ ও আবু তালহা আনসারিকে নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেন।
খলিফা নির্বাচনের জন্য কত ভোট প্রয়োজন ছিল
ইবনে সাদের বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য সনদে এসেছে, ওমর (রা.) সোহাইবকে বলেছিলেন, তুমি তিন দিন মানুষকে নামাজ পড়াবে। আর এই দলটি একটি ঘরে একত্র হবে। তারা যদি কোনো একজনের ব্যাপারে একমত হয়, তাহলে যে ব্যক্তি তাদের বিরোধিতা করবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
অর্থাৎ ওমর (রা.) এমন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যে শুরার সদস্যদের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মুসলমানদের ঐক্য বিনষ্ট ও বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইবে।
মতবিরোধ হলে সমাধানের উপায়
ওমর (রা.) নির্দেশ দিয়েছিলেন, আবদুল্লাহ ইবনে ওমর শুরার বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন, তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার কোনো ভূমিকা থাকবে না। তবে তিনি বলেছিলেন, যদি তিনজন একজনকে এবং অন্য তিনজন আরেকজনকে সমর্থন করেন, তাহলে আবদুল্লাহ ইবনে ওমরকে বিচারক করা হবে। তিনি যে পক্ষের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেই পক্ষের প্রার্থীকে খলিফা হিসেবে নির্বাচন করতে হবে। আর যদি তারা আবদুল্লাহ ইবনে ওমরের সিদ্ধান্ত মেনে না নেন, তাহলে আবদুর রহমান ইবনে আওফ যে দলের মধ্যে থাকবেন, সেই দল থেকে খলিফা নির্বাচন করা হবে।
ওমর (রা.) আবদুর রহমান ইবনে আওফকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম ও বিচক্ষণ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে সৈন্য
ওমর (রা.) আবু তালহা আনসারিকে ডেকে বললেন, হে আবু তালহা, আল্লাহ তোমাদের মাধ্যমে ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন। তুমি আনসারদের মধ্য থেকে ৫০ জনকে নির্বাচন করো এবং তাদের দায়িত্ব দাও, যাতে তারা এই শুরা সদস্যদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করে এবং তাদের মধ্য থেকে একজনকে নির্বাচিত করতে সহায়তা করে।
আর মিকদাদ ইবনে আসওয়াদকে বললেন, যখন তোমরা আমাকে আমার কবরের মধ্যে রেখে দেবে, তখন এই শুরা সদস্যদের একটি ঘরে একত্র করবে, যতক্ষণ না তারা তাদের মধ্য থেকে একজনকে নির্বাচন করেন।
আবদুর রহমান ইবনে আওফের হাতে শুরা পরিচালনার দায়িত্ব
ছয়জন প্রার্থীর বৈঠক শেষ হওয়ার পর আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রা.) যোগাযোগ ও পরামর্শ শুরু করেন। তার এই পরামর্শ ও মতামত গ্রহণের কার্যক্রম পুরো তিন দিন ধরে চলে। আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রা.) প্রথমে তিনি আলী ইবনে আবু তালিব (রা.)-এর কাছে যান। তাকে জিজ্ঞেস করেন, আমি যদি তোমার হাতে বায়আত না করি, তাহলে তুমি আমাকে পরামর্শ দাও—খিলাফতের জন্য কাকে মনোনীত করা উচিত? আলী (রা.) বললেন, উসমান ইবনে আফফান।
তিনিউসমান (রা.)-এর কাছে গিয়ে একই প্রশ্ন করলেন, আমি যদি তোমার হাতে বায়আত না করি, তাহলে তুমি কাকে খলিফা হিসেবে মনোনীত করবে? উসমান (রা.) বললেন, আলী ইবনে আবু তালিব।
এরপর ইবনে আওফ অন্য সাহাবিদের কাছেও যান এবং তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। মদিনায় যেসব প্রবীণ ও বিশিষ্ট সাহাবির সঙ্গে তার দেখা হয়েছে, তিনি তাদের সবার মতামত নেন। সেনাবাহিনীর কমান্ডার, মদিনায় আগত ব্যক্তিদের সঙ্গেও তিনি পরামর্শ করেন।এমনকি তিনি ঘরের ভেতরে থাকা নারীদের সঙ্গেও পরামর্শ করেন এবং তারা তাদের মতামত জানান। তিনি মদিনার শিশু ও দাসদের কাছ থেকেও মতামত নেন।
আবদুর রহমান ইবনে আওফের ব্যাপক পরামর্শের ফলাফল ছিল, অধিকাংশ মুসলমান উসমান ইবনে আফফান (রা.)-এর পক্ষে মত দেন। তবে কেউ কেউ আলী ইবনে আবু তালিব (রা.)-এর পক্ষেও মত দেন।
চতুর্থদিন মধ্যরাতে আবদুর রহমান ইবনে আওফ তার বোনের ছেলে মিসওয়ার ইবনে মাখরামার বাড়িতে যান। দরজায় কড়া নাড়লে মিসওয়ার ঘুম থেকে জেগে ওঠেন।
আবদুর রহমান বললেন, দেখছি তুমি ঘুমিয়ে আছ। আল্লাহর শপথ, আজ রাতে আমি খুব একটা ঘুমাতেই পারিনি। যাও, জুবায়ের ও সাদকে ডেকে আনো। তাদের ডেকে আনা হলে আবদুর রহমান তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। এরপর তিনি মিসওয়ারকে বলেন, আলীকে ডেকে আনো।
আলী (রা.) এলে তিনি তার সঙ্গে দীর্ঘ সময় একান্তে কথা বলেন। রাত অনেক গভীর হলে আলী (রা.) সেখান থেকে চলে যান। এরপর আবদুর রহমান বললেন, উসমানকে ডেকে আনো। উসমান (রা.) এলে তার সঙ্গেও তিনি দীর্ঘ সময় একান্তে কথা বলেন। তাদের এই আলোচনা চলতে থাকে ফজরের আজান দেওয়া পর্যন্ত।
উসমান (রা.)-এর হাতে বায়আতে ঐকমত্য
২৩ হিজরির জিলহজ মাসের শেষ দিন (৬ নভেম্বর ৬৪৪ খ্রিস্টাব্দ) ছিল বায়আতের দিন। এদিন সকালে ফজরের নামাজের ইমামতি করেন সোহাইব রুমি (রা.)। নামাজ শেষে আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রা.) এগিয়ে আসেন। তার মাথায় ছিল সেই পাগড়ি, যা রাসুলুল্লাহ (সা.)তাঁকে পরিয়ে দিয়েছিলেন।
শুরার সদস্যরা তখন মিম্বরের কাছে একত্রিত হয়েছিলেন। আবদুর রহমান মদিনায় উপস্থিত মুহাজির ও আনসারদের এবং বিভিন্ন অঞ্চলের সেনাপতিদের ডেকে পাঠান। তাদের মধ্যে ছিলেন শামের গভর্নর মুয়াবিয়া, হিমসের গভর্নর উমাইর ইবনে সাদ এবং মিসরের গভর্নর আমর ইবনে আস। তারা ওই বছরের হজে উমর (রা.)-এর সঙ্গে মদিনায় এসেছিলেন এবং তার সঙ্গে মদিনায় অবস্থান করছিলেন।
সহিহ বুখারির বর্ণনায় এসেছে, ফজরের নামাজের পর শুরার সদস্যরা মিম্বরের কাছে একত্রিত হন। আবদুর রহমান ইবনে আওফ উপস্থিত মুহাজির, আনসার ও বিভিন্ন অঞ্চলের সেনাপতিদের ডেকে পাঠান। তারা সবাই একত্রিত হলে আবদুর রহমান আল্লাহর প্রশংসা ও সাক্ষ্য পাঠ করে বলেন,
হে আলী, আমি মানুষের বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করেছি। আমি দেখিনি যে তারা উসমান ছাড়া অন্য কাউকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তাই তুমি নিজের জন্য কোনো পথ বন্ধ করে দিয়ো না।
আলী (রা.) বললেন, আমি আল্লাহর কিতাব, তার রাসুলের সুন্নাহ এবং তার পরবর্তী দুই খলিফার নীতির ভিত্তিতে তোমার হাতে বায়আত করছি।
এরপর মুহাজির, আনসার, সেনাপতিরা এবং অন্যান্য মুসলমান উসমান (রা.)-এর হাতে বায়আত করেন।
তামহিদ ও আল-বায়ান গ্রন্থের বর্ণনায় এসেছে, আবদুর রহমান ইবনে আওফের পর আলী ইবনে আবু তালিব (রা.)-ই সর্বপ্রথম উসমান (রা.)-এর হাতে বায়আত করেন।
এভাবেই উসমান ইবনে আফফান (রা.)-এর হাতে খিলাফতের বায়আত সম্পন্ন হয়। মুসলমানদের ছোট-বড় সবার পরামর্শ, সম্মতি ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এবং তার পূর্বসূরি ওমর (রা.) যে পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন, সেই পদ্ধতিতেই তিনি খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সুতরাং মুসলমানদের নেতৃত্বে উসমান (রা.)-এর অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন বৈধ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। প্রথমে বড় সাহাবিদের মাধ্যমে তার হাতে বায়আতের বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তার বায়আত সম্পন্ন হওয়ার পদ্ধতি নিয়ে কোনো বিরোধী বা সমালোচনামূলক মতামত প্রকাশ পায়নি।
এনটি
