বিজ্ঞাপন

পেছনের কাতারে একা দাঁড়ালে কি নামাজ হয় না?

পেছনের কাতারে একা দাঁড়ালে কি নামাজ হয় না?

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয় কেয়ামতের দিন বান্দার যে কাজের হিসাব সর্বপ্রথম নেওয়া হবে তা হচ্ছে নামাজ। সুতরাং যদি তা সঠিক হয়, তাহলে সে পরিত্রাণ পাবে। আর যদি (নামাজ) খারাপ হয়, তাহলে সে ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

যদি তার ফরজের (ইবাদতের) মধ্যে কিছু কম পড়ে যায়, তাহলে আল্লাহ তায়ালা বলবেন, ‘দেখ তো! আমার বান্দার কিছু নফল (ইবাদত) আছে কি না, যা দিয়ে ফরজের ঘাটতি পূরণ করে দেওয়া হবে?’ অতঃপর তার অবশিষ্ট সমস্ত আমলের হিসাব সেভাবে গৃহীত হবে। (আবু দাউদ, হাদিস : ৮৬৪)

আবু উমামা (রা.) বলেন, একবার রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ রহমত বর্ষণ করেন ও তার ফেরেশতারা ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকেন প্রথম কাতারের মুসল্লিদের জন্য। সাহাবিরা বলেন, হে আল্লাহর রাসুল, দ্বিতীয় কাতারের ওপর? তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা রহমত বর্ষণ করেন এবং তার ফেরেশতারা ক্ষমা প্রার্থনা করেন প্রথম কাতারে সালাত আদায়কারীদের জন্য...।’ (মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ২২৩১৭)

পেছনের কাতারে একা দাঁড়ালে নামাজ হবে?

কোনো মুসল্লি নামাজের শুরুতেই জামাতে অংশ নিতে পারলে তিনি পেছনের কাতারে দাঁড়াবেন। তবে সামনের কাতারে দাঁড়ানোর জায়গা থাকা অবস্থায় পিছনের কাতারে একা দাঁড়ানো মাকরুহে তাহরীমী। আর সামনের কাতারে জায়গা না থাকলে এবং সামনের কাতার থেকে টেনে পিছনের কাতারে নিয়ে আসার মতো লোকও না পাওয়া গেলে পিছনের কাতারে একা দাঁড়ানো মাকরুহ নয়; বরং এ ক্ষেত্রে পিছনের কাতারে ইমামের বরাবর একা দাঁড়ানোই নিয়ম।

মূলত সামনের কাতারে জায়গা না থাকলে এবং পিছনের কাতারে দাঁড়ানোর অন্য কাউকে না পেলে তখন সামনের কাতার থেকে কোনো মুসল্লীকে টেনে পিছনের কাতারে নেওয়ার নিয়ম। তবে শর্ত হল, এমন লোককে নিতে হবে যিনি এ সর্ম্পকিত মাসয়ালা জানেন এবং এতে বিব্রত হবেন না। এ ধরনের লোক পাওয়া না গেলে সামনের কাতার থেকে কাউকে টানা যাবে না।

এনটি