টানা এক সপ্তাহের অতি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জেলার সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশ উপজেলার বিস্তৃত জনপদ এখনো পানির নিচে তলিয়ে আছে। যদিও গত শনিবারে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছিল, তবে আজ (রোববার) সকাল থেকে পুনরায় ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ায় দুর্গত এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তা চরমে পৌঁছেছে।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই চারটি উপজেলাতেই অন্তত আট লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।সাতকানিয়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রায় পুরো এলাকা গত সাত দিন ধরে বন্যার কবলে।
বন্যায় গৃহহীন ৩০০ পরিবারকে দুই কক্ষের ইন্ডাস্ট্রিয়াল টিনের নতুন পাকা ঘর দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এই ঘোষণা দেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় গৃহহারা ৩০০ পরিবারকে দুই কক্ষের ইন্ডাস্ট্রিয়াল টিনের নতুন পাকা ঘর দেবে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন।
তিনি বলেছেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামে বন্যা দুর্গতদের মাঝে আমাদের জরুরি ত্রাণ ও পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম চলছে। দেশ-বিদেশের যেকোনো পেমেন্ট মেথড থেকে জরুরি ত্রাণ প্রকল্পে অংশগ্রহণের তাদের নির্ধারিত অ্যাকাউন্ট, বিকাশ ও নগদ নম্বরে সহায়তা করতে বলা হয়েছে।
এনটি
