বিতর্ক যেনো পিছু ছাড়ছে না বিশ্বকাপের। মাঠের ক্রিকেট থেকে বারবার নজর সরে যাচ্ছে অন্যসব ঘটনার দিকে। কখনো মাঠের আউটফিল্ড, কখনো খালি স্টেডিয়াম, আবার কখনো নিম্নমানের পিচের কারণে সমালোচনায় আটকে যাচ্ছে বিশ্বকাপ। ধর্মশালার বাজে আউটফিল্ড অনেক আগেই সমালোচনার মুখে পড়েছিল। এবার আলোচনায় লখনৌ।
শ্রীলঙ্কা এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সোমবারের ম্যাচে ম্যাচে হানা দেয় বৃষ্টি। এর আগে পর্যন্ত ম্যাচ চলছিল ভালই। তবে দমকা বাতাসসহ বৃষ্টি যেন আবহ বদলে দিলো ম্যাচের। বাতাসের কারণে ভেঙে গিয়েছিল হোর্ডিং। তাতে অনেকে বড় বিপদেও পড়তে পারতেন। তবে খালি গ্যালারি যেন আশীর্বাদই হয়েছে তাদের। তা না হলে বড় রকমের দূর্ঘটনা দেখতো ক্রিকেট দুনিয়া।
— Tim Peach (@TimPeachBBC) October 16, 2023
এ বারের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা এবং অস্ট্রেলিয়া সোমবারের আগে কোনও ম্যাচ জেতেনি। তাই দুই দলের কাছেই ম্যাচটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। সেটা বুঝেই কিছুটা দর্শক সমাগম হলো একানা স্টেডিয়ামে। কিন্তু মাঠ যদি ভর্তি থাকত তাহলে এই ম্যাচে বড় দুর্ঘটনা হতে পারত।
আরও পড়ুন
ম্যাচের মাঝে এক বার বৃষ্টি আসে। তাই বন্ধ ছিল ম্যাচ। পরে শুরু হলেও বেশ জোরে হাওয়া বইছিল। তাতেই ভেঙে যায় হোর্ডিং। অনেক দর্শককে সেই জায়গা থেকে সরে যেতে হল। শ্রীলঙ্কার ইনিংস শেষ হওয়ার পর যা আরও বেড়ে যায়। বাধ্য হয়ে মাইকের মাধ্যমে খেলা দেখতে আসা দর্শকদের সাবধান হওয়ার জন্য ঘোষণা দেয়া হয়। সেই সময় বেশ জোরে হাওয়া বইছিল। মাঠে ঘোষণা করা হয় সকলকে আপার টিয়ার থেকে লোয়ার টিয়ারে নেমে আসতে।
শেষ পর্যন্ত অবশ্য দুর্ঘটনা ছাড়াই ম্যাচ শেষ হয়েছে। ম্যাচে শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাট করে ২০৯ রান করে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয়। শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা (৬১) এবং কুশাল পেরেরা (৭৮) ১২৫ রানের জুটি গড়লেও পরের দিকের ব্যাটারেরা আর কেউ তেমন রান পাননি। ফলে ২০৯ রানের বেশি করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা।
সেই রান তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ২৪ রানে ২ উইকেট হারায়। মিচেল মার্শ করেন ৫২ রান। এরপর মার্নাস লাবুশেন (৪০) এবং জস ইংলিস (৫৮) এর ব্যাটে ভর করে ম্যাচ জেতে অজিরা।
জেএ
