বিজ্ঞাপন

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনালের পিচ ‘চূড়ান্ত’, যারা সুবিধা পাবে!

ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনালের পিচ ‘চূড়ান্ত’, যারা সুবিধা পাবে!

যেকোনো আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালের ভেন্যু ও পিচ নিয়ে বাড়তি আগ্রহ থাকে ক্রিকেটভক্তদের। কেমন পিচে খেলা হবে, তার আচরণ কেমন এবং সেটি বোলার নাকি ব্যাটারদের সুবিধা দেবে– ম্যাচ শুরুর আগপর্যন্ত এসব জল্পনা-কল্পনাও চলতে থাকে। চলমান আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-নিউজিল্যান্ড। সেই ম্যাচের পিচও নাকি চূড়ান্ত হয়ে গেছে!

আগামী ৯ মার্চ দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নবম আসরের ফাইনাল। এই ভেন্যুতেই টুর্নামেন্টের সবকটি ম্যাচ খেলে আসছে রোহিত শর্মার ভারত। যা নিয়ে কম আলোচনা-সমালোচনা হয়নি। এই ভেন্যুতেই গত ২৩ ফেব্রুয়ারি হয়েছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের হাইভোল্টেজ ম্যাচ। গ্রুপপর্বের সেই ম্যাচটি যে পিচে হয়েছিল একই পিচেই ফাইনালও অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে– দুবাইয়ের এই স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ান কিউরেটর ম্যাথু স্যান্ডারির অধীনে ১০টি পিচ প্রস্তুত করা হয়েছিল। সব পিচই কম-বেশি একই ধরনের আচরণ করে। পিচ কিছুটা স্লো এবং তাতে স্পিনাররা নিখুঁত সহায়তাও পেয়ে থাকেন। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুবাইয়ের মোট চারটি পিচ ব্যবহার করা হয়েছে। ফাইনালেও একেবারে কেন্দ্রে (মাঝে) থাকা পিচ থাকবে, যা আগেও ব্যবহার করা হয়েছে। দুই সপ্তাহ আগে ব্যবহার হয়েছে এমন পিচ, যা বিশ্রামের জন্য পর্যাপ্ত সময় পেয়েছে।

Axar Patel celebrates after nailing the direct hit, Pakistan vs India, ICC Men's Champions Trophy, Dubai, February 23, 2025

সেই হিসেব মিলিয়েই মূলত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পিচের কথা বলা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। যে ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩ স্পিনার খেলিয়েছিল ভারত। কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল ও রবীন্দ্র জাদেজা মিলে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের বাকি ৩ উইকেট পেসার এবং ২ উইকেট গেছে রানআউটের দখলে। বিপর্যয়ে পড়া মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল ২৪১ রানেই অলআউট হয়ে যায়। বিপরীতে ৪৫ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখেই সেই লক্ষ্য পেরোয় ভারত।

দুবাইয়ে এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ম্যাচ দেখেই স্পষ্ট– এখানে ব্যাটারদের চেয়ে তুলনামূলক বোলাররাই বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। দুবাইয়ে হওয়া টুর্নামেন্টের চার ম্যাচে গড় রান হয়েছে ২৪৬। এর মধ্যে সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার করা ২৬৪ রান প্রথম ইনিংসে ব্যাট করা দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ পুঁজি। ভারত ৬ উইকেট হারিয়ে সেই লক্ষ্য তাড়া করেছে ৪৯তম ওভারে। অন্যদিকে, পাকিস্তানে হওয়া ১০ ম্যাচে গড় রান ছিল ২৯৫।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতীয় রহস্য স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী একাদশে ঢুকেন দুই ম্যাচ পর। পরের দুই ম্যাচেই তিনি ৭ উইকেট শিকার করেছেন। এ ছাড়া জাদেজা, কুলদীপ ও অক্ষর মিলে ভারতের স্পিন অ্যাটাককে করে তুলেছে ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী। সেই শক্তিতেই আত্মবিশ্বাসী ভারত ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মোকাবিলা করবে। এখন পর্যন্ত এই আসরে চার ম্যাচেই অপরাজেয় ভারত। অন্যদিকে মিচেল স্যান্টনারের দল একটি ম্যাচেই হেরেছে, সেই ম্যাচেও প্রতিপক্ষ ছিল রোহিতের দলটি।

এএইচএস