বিজ্ঞাপন

আরও নিয়ম আসছে আইপিএলে, অথচ নিষিদ্ধ আইসিসিতে

আরও নিয়ম আসছে আইপিএলে, অথচ নিষিদ্ধ আইসিসিতে

গত ৯ মার্চ পর্দা নেমেছিল আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির। এই মেগা প্রতিযোগিতা চলাকালেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সালিবা বা ‘বলে থুতু লাগানো’র নিষিদ্ধ নিয়ম পুনরায় চালুর দাবি উঠেছিল। তবে তাতে কোনো হেরফের না হলেও এবার আইপিএলে অনুমোদন পাচ্ছে সেই নিয়ম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেই এমন আরও কিছু নিয়ম আইপিএলের আসন্ন অষ্টাদশ আসরে চালু করা হচ্ছে।

আগামী ২২ মার্চ থেকে শুরু হবে আইপিএলের নতুন আসর। তার আগে আজ (বৃহস্পতিবার) মুম্বাইয়ে বিসিসিআইয়ের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠেয় ‘ক্যাপ্টেন্স ডে’তে সকল দলের অধিনায়ক ও ম্যানেজারদের সামনে নতুন নিয়মের ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সেখানকার এক সূত্রের বরাতে ক্রিকবাজ জানিয়েছে, বেশ কিছু নিয়ম আসছে এবারের আইপিএলে। তার মধ্যে একটি দ্বিতীয় ইনিংসের মাঝে নতুন বল ব্যবহার। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের একাদশ ওভার থেকে নেওয়া হবে নতুন বল। শেষদিকে যেন কুয়াশাজনিত কারণে তেমন প্রভাব না পড়ে তাই এই সিদ্ধান্ত।

এই নিয়মের মূল উদ্দেশ্য হলো খেলায় শিশিরের প্রভাব কমানো, যা সাধারণত রাতের ম্যাচগুলোর পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলে। দ্বিতীয় বল ব্যবহারের নিয়মটি মূলত টসজয়ী দলের জন্য শিশিরের সুবিধা কমিয়ে একটি সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে। অবশ্য এমন নিয়মেরও অস্তিত্ব নেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। 

dhakapost
আইপিএল ‘ক্যাপ্টেন্স মিটে’ উপস্থিত অধিনায়করা

এ ছাড়া লালা ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি প্রত্যাশিত–ই ছিল, বিশেষত যখন মোহাম্মদ শামির মতো একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় কর্তৃপক্ষের কাছে এই নিয়ম বাতিলের আবেদন করেছিলেন। এর আগে দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মাঝেই শামি বলেছিলেন, ‘আমরা সবসময় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি যেন লালা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়, যাতে ম্যাচ চলাকালীন সুইং ও রিভার্স সুইং কার্যকর হয়।’ তার এই অনুরোধের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার ভার্নন ফিল্যান্ডার এবং নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি।

এর আগে বলে লালার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল করোনা মহামারির কারণে। ওই সময় আইসিসির যুক্তি ছিল যেন লালা ব্যবহারের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণ না ঘটে। সেটি প্রতিরোধের জন্য সালিবা ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। তবে মহামারি নিয়ন্ত্রণে আসার পর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছিল। সেদিক থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শামি ছিলেন এই পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান সমর্থক।

এএইচএস