বিজ্ঞাপন

ওয়ানডেতে ক্যারিবীয় তারকার দ্রুততম ফিফটির বিশ্বরেকর্ড

ওয়ানডেতে ক্যারিবীয় তারকার দ্রুততম ফিফটির বিশ্বরেকর্ড

টি-টোয়েন্টির প্রবল জনপ্রিয়তার যুগে রেকর্ড ভাঙার ব্যাপক প্রতিযোগিতায় মেতে উঠতে দেখা যায় ব্যাটারদের। স্বভাবতই অন্যান্য ফরম্যাটেও সেই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ছাপ পড়েছে। ২০১৫ সালে এবি ডি ভিলিয়ার্স ওয়ানডেতে সবচেয়ে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। ১০ বছর পর এবার তার সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন ক্যারিবীয় পেসার ম্যাথু ফোর্ড।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে এই উইন্ডিজ টেল-এন্ডার আট নম্বরে নেমে মাত্র ১৬ বলেই ফিফটি করেছেন। শেষ পর্যন্ত ১৯ বলে ২ চার ও ৮ ছক্কায় তার ব্যাটে আসে ৫৮ রান। ওয়ানডেতে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডটি ভাঙার কাছাকাছিই ছিলেন ফোর্ড। তবে ১০ বছর ধরে অক্ষুণ্ন থাকা ডি ভিলিয়ার্সের রেকর্ড ভাঙতে না পারলেও, তার রেকর্ডে ভাগ বসালেন ২৩ বছর বয়সী এই ক্যারিবিয়ান।

কাকতালীয়ভাবে ওয়ানডের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডটি ভিলিয়ার্স করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। জোহানেসবার্গের সেই ম্যাচে অবশ্য কেবল ফিফটির রেকর্ডই নয়, দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ডও গড়েন ডি ভিলিয়ার্স। তার ৩১ বলে করা সেঞ্চুরিটি এখনও আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে দ্রুততম। শেষ পর্যন্ত এই প্রোটিয়া কিংবদন্তি ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ৪৪ বলে ৯ চার ও ১৬ ছক্কায় ১৪৯ রান করেন। ৪৩৯ রানের পুঁজি গড়ে উইন্ডিজদের ১৪৮ রানে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

AB de Villiers pulls, South Africa v West Indies, 2nd ODI, Johannesburg, January 18, 2015
ফিফটির রেকর্ডে ভাগ বসলেও, ওয়ানডের দ্রুততম ফিফটি-সেঞ্চুরির রেকর্ড হাতছাড়া হয়নি এবি ডি ভিলিয়ার্সের

এদিকে, গতকালের ম্যাচে আরেকটি রেকর্ড গড়েছেন ফোর্ড। তার করা ৫৮ রানের মধ্যে ৫৬–ই এসেছে বাউন্ডারিতে। অর্থাৎ, বাউন্ডারিতেই তিনি ৯৬.৯৫ শতাংশ রান তুলেছেন। যা ছেলেদের ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ বাউন্ডারির শতাংশ। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ফোর্ডেরই আরেক স্বদেশি আন্দ্রে ফ্লেচারের। ২০০৯ সালে তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫২ রানের মধ্যে ৫০ করেছিলেন কেবল বাউন্ডারি হাঁকিয়ে। যেখানে বাউন্ডারি ছিল ৯৬.১৬ শতাংশ।

ফোর্ড সপ্তম উইকেটে জাস্টিন গ্রিভসের সঙ্গে মাত্র ২৫ বলে ৬৮ রানের জুটি গড়েন। যা আইরিশদের বিপক্ষে ক্যারিবীয়দের ৩৫২ রানের বড় পুঁজি এনে দেয়। গ্রিভস অপরাজিত ছিলেণ ৩৬ বলে ৪৪ রানে। এর আগে কেসি কার্টি ১০৯ বলে ১০২ ও অধিনায়ক শাই হোপ ৪৯ রান করেন। যদিও শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ডাবলিনে ব্যাটিংয়ে নামারও সুযোগ পায়নি স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড।

প্রসঙ্গত, ওয়ানডেতে দ্রুততম ফিফটির যৌথ রেকর্ডটি এখন ফোর্ড ও ডি ভিলিয়ার্সের দখলে। এই তালিকায় তাদের পরে অবস্থান করছেন সনৎ জয়সুরিয়া, কুশল পেরেরা, মার্টিন গাপটিল ও লিয়াম লিভিংস্টোনের। তাদের চারজনই সমান ১৭ বলে ফিফটি করেছেন। আর উইন্ডিজদের মধ্যে ওয়ানডের দ্রুততম ফিফটিতে ফোর্ডের পরে আছেন– ক্রিস গেইল (১৯), ড্যারেন সামি (২০), ব্রায়ান লারা (২৩) ও কাইরন পোলার্ড (২৩)।

এএইচএস