আবারও বাফুফের কোচিং প্যানেলে বিপ্লব, ছোটনের চুক্তি নবায়ন

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও গোলরক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য্য আবারও বাফুফের কোচ হিসেবে যোগ দিচ্ছেন। তিনি আগে বাফুফের গোলরক্ষক কোচ হিসেবে জাতীয় নারী, পুরুষ দল এবং একাডেমীতে কাজ করেছিলেন। এরপর নিজেই ফেডারেশন ছেড়ে ক্লাব কোচিংয়ে যান। পরবর্তীতে বছর খানিক সক্রিয় কোচিংয়ের সুযোগ পাননি। দুই বছর পর আবারও ফেডারেশনে যোগ দিচ্ছেন।
বিপ্লবের পাশাপাশি নতুন বছরে আরও তিন জন নতুন কোচ নিয়েছে বাফুফে। সাবেক জাতীয় ফুটবলার আতিকুর রহমান মিশু, আকবর হোসেন রিদনের পাশাপাশি নারী ফুটবলার লিনা চাকমাকে বাফুফে নিয়োগ দিচ্ছে।
আতিকুর রহমান মিশু ফর্টিজ ও ব্রাদার্স ইউনিয়নে সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। তৃণমূল ফুটবলে কাজ করতে আগ্রহী হওয়ায় তিনি বাফুফেতে যোগ দিচ্ছেন। সাবেক ফুটবলার লিনা চাকমা নারীদের মধ্যে এ লাইসেন্সধারী। নারী ফুটবল ও ফুটসাল দুই ক্ষেত্রেই তাকে কাজে লাগাতে চায় ফেডারেশন।
বাফুফে একাডেমীর হেড কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের চুক্তি গতকাল ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়েছিল। তার চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়েছে ফেডারেশন। ছোটনের পাশাপাশি ২০২৫ সালে বাফুফেতে কাজ করা ২১ জনের চুক্তিও আরও এক বছর নবায়ন হয়েছে। বাফুফের প্যানেলভুক্ত কোচের সংখ্যা ২০২৬ সালে দাঁড়াচ্ছে ২৫ জনে।
ফিফার পাশাপাশি এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) বাফুফেকে আর্থিক অনুদান দেয়। সেই অনুদানের একটি বড় অংশ ব্যয় হয় স্থানীয় কোচদের পেছনে। প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরবর্তী বছরের কোচদের তালিকা এএফসিতে প্রেরণ করতে হয়।
বাফুফেতে বিশ জনের বেশি কোচ থাকলেও চীনে এএফসি অ-১৭ টুর্নামেন্টের বাছাইয়ের টুর্নামেন্টে সহকারী কোচ ছিলেন বিকেএসপির কোচ ইমরুল। এতে ফুটবলাঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছিল, বাফুফে বছরে স্থানীয় কোচদের পেছনে এত অর্থ ব্যয় করছে কিন্তু বয়স ভিত্তিক দলের সহকারী কোচ হওয়ার মতো যোগ্য কি কেউ নেই আর যদি বাফুফের স্থানীয় কোচদের মধ্যে কেউ যদি বয়স ভিত্তিক দলের সহকারী কোচ হওয়ার যোগ্য নাই হন তাহলে তাদের পেছনে অর্থ ব্যয় কেন?
এজেড/এফআই