বিজ্ঞাপন

অবশেষে নোয়াখালীকে জয়ের স্বাদ দিলেন হাসান

অবশেষে নোয়াখালীকে জয়ের স্বাদ দিলেন হাসান

প্রথমবারের মতো নোয়াখালীর কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি এবারের বিপিএলে অংশ নিয়ে নানা ইস্যুতে আলোচনারও জন্ম দিয়েছিল। যদিও মাঠের ক্রিকেটে তাদের অভিষেক আসরটা ঠিক সুখকর হচ্ছিল না। টানা ৬ ম্যাচে হেরে সবার আগে বাদ পড়ার শঙ্কায়ও পড়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সপ্তম ম্যাচে এসে সৌম্য-হাসান মাহমুদের দলটি জয়ের দেখা পেয়েছে। রংপুর রাইডার্সকে ৯ রানে হারিয়েছে নোয়াখালী।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ (শুক্রবার) রংপুরের পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর হ্যাটট্রিকে ১ বল বাকি থাকতেই নোয়াখালী ১৪৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। হাসান মাহমুদের বোলিং তোপে সেটাকেই জয়ের জন্য যথেষ্ট বলে প্রমাণ করল নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য নোয়াখালীর প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। প্রথম বলেই ফর্মে থাকা খুশদিল শাহকে ফেরান হাসান। মাঝে একটি চার হজম করলেও, আরও দুই উইকেট তুলে নিয়ে ৯ রানের জয় নিশ্চিত করেন।

dhakapostএর আগে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২১ ও ২৩ রানের মাথায় পরপর রংপুরের দুই ওপেনার লিটন দাস (১৫) ও ডেভিড মালান (৭) আউট হয়ে যান। তাওহীদ হৃদয় ও ইফতিখার আহমেদ জুটি গড়ে সেই ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা চালান। হৃদয় ২৯ ও ইফতিখার ৩৭ রান করে আউট হওয়ার পরই তাদের ব্যাটিং বিপর্যয় শুরু হয়। একপাশে খুশদিল টিকে থাকায় আশা কিছুটা টিকে ছিল তাদের, তবে ১৬ বলে ২৪ রানে তার বিদায়ে থমকে যায় জয়ের আশা। ৯ উইকেটে রংপুর ১৩৯ রান তুলতে সক্ষম হয়।

বিপরীতে নোয়াখালীর পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ ‍উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। এ ছাড়া জহির খান ২ ও বিলাল সামি, মোহাম্মদ নবি এবং মেহেদী হাসান রানা এক উইকেট করে শিকার করেন।

dhakapost

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নামা নোয়াখালীর হয়ে জাকের আলি সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেছেন, যদিও ওই ইনিংস খেলেন ৩৭ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায়। এ ছাড়া সৌম্য সরকার ২৭ বলে ৩১, হাবিবুর রহমান সোহান ১৬ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩০ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২৮ রান করেন। রংপুরের হয়ে হ্যাটট্রিক করা মৃত্যুঞ্জয় ছাড়াও সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।

এএইচএস