বাংলাদেশে এসেছে বিশ্বকাপ ট্রফি, দর্শনে আগ্রহ কমেছে ভক্তদের

হোটেল রেডিসন বিশ্বকাপ ট্রফি প্রদর্শনীর ভেন্যু। ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপের সময়ও এই ভেন্যুতে ট্রফি প্রদর্শন হয়েছিল। সেই দুই বার উন্মাদনা ও জনসম্পৃক্ততা ছিল বেশি। এবার রেডিসন যেন ছিল খানিকটা ভাঙা হাটের মতোই।
২০১৩ সালে বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার জন্য রেডিসন হোটেলের সামনে পর্যন্ত ফুটবলপ্রেমীদের লাইন ছিল। কাতার বিশ্বকাপের সময় ঐ রকম না হলেও বেশ জনসমাগম দেখা গেছে। এবার সেই তুলনায় ভিড় খুবই কম। কোকাকোলা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রচারণা চালালেও উন্মাদনার মাত্রা কম কেন সেটার কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
সকাল সাড়ে দশটার দিকে বিমানবন্দরে বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি এসে পৌঁছায়। সেখানে বাফুফে ও সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ট্রফি বরণ করেন। এরপরই রেডিসন হোটেলে আনা হয়। দুপুর দেড়টা থেকে প্রদর্শনী শুরু হয়। বাফুফে ও ফুটবলসংশ্লিষ্টরা মাত্র আধ ঘণ্টা সুযোগ পেয়েছিলেন ট্রফির সান্নিধ্যে থাকার। এরপর সাধারণ দর্শক, কোকাকোলার আমন্ত্রিত অতিথি ও গণমাধ্যম ছবি তোলার সুযোগ পায়।
ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফি ট্যুর তাদের স্পন্সর কোকাকোলার মাধ্যমেই হয়ে থাকে। কোকাকোলা সূত্রে জানা গেছে, ১২০০-১৪০০ ব্যক্তি ট্রফি দেখার সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে ৭০০ জন কোকাকোলার ট্রফি ক্যাম্পেইনের বিজয়ী। ফুটবল ফেডারেশন ও ফুটবল সংশ্লিষ্ট দুই শতাধিক। ফুটবল ফেডারেশনের মধ্যেই আবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে।
বিশ্বকাপ ট্রফি দেখা যেকোনো ফুটবলারের জন্য আরাধ্য। তবে বিগত সময়ের মতো এবারও সাবেক জাতীয় অধিনায়ক কিংবা জাতীয় দল, বয়স ভিত্তিক ফুটবলারদের এই অনুষ্ঠানে তেমন দেখা যায়নি। সাবেক ফুটবলারদের মধ্যে রোকনুজ্জামান কাঞ্চন ও বর্তমান ফুটবলারদের মধ্যে শেখ মোরসালিন, জামাল ভূইয়া ছাড়া তেমন কাউকে দেখা যায়নি। তারা দুই জন অবশ্য কোকাকোলার প্রচারণার অংশই ছিলেন। শেখ মোরসালিন বিশ্বকাপ ট্রফির প্রচারণায় অংশ হতে পেরে বেশ উচ্ছ্বসিত, ‘আমার মতো তরুণ একজন ফুটবলার এত বড় একটি কাজের অংশ হতে পেরেছি এটা খুবই আনন্দের ও সৌভাগ্যের। এটা আমার জন্য অনুপ্রেরণা সামনে আরো ভালো ফুটবল খেলার।’
বাফুফের মাধ্যমে জানা গেছে, নারী ও জাতীয় পুরুষ ফুটবলাররা আজকের ট্রফি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন। নারী ফুটবলারদের কাউকে অবশ্য দেখা যায়নি। ফেডারেশন সূত্রের খবর, শুধু ঋতুপর্ণা গতকাল রাতে আগ্রহ প্রকাশ করলেও আজ তিনি আসেননি।
এজেড/এইচজেএস