বিপিএলের স্থগিত হওয়া ম্যাচের টিকিট নিয়ে দর্শকদের সুখবর

বৃহস্পতিবার দিনভর নাটকীয়তার পর রাতে কোয়াবের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসে বিসিবি। পরবর্তীতে জানানো হয়, আজ (শুক্রবার) থেকে বিপিএলের ঢাকা পর্ব শুরু হচ্ছে। এর আগে ক্রিকেটাররা বয়কট করায় বৃহস্পতিবার দিনের দুটি ম্যাচই স্থগিত হয়ে যায়। সেই দুটি ম্যাচের টিকিটের টাকা ফেরত পাবেন দর্শকরা। স্থগিত ম্যাচ পুনরায় আজ অনুষ্ঠিত হবে।
এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। যারা ১৬ জানুয়ারির দুটি ম্যাচের টিকিট সংগ্রহ করেছেন, তারা সেই টিকিটে আজ খেলা দেখতে পারবেন। যদিও এদিন অনুষ্ঠিত হবে আগেরদিনের স্থগিত দুই ম্যাচ। দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম রয়ালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেস এবং সন্ধ্যা ৭টায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটান্স মুখোমুখি হবে।
একইভাবে আজ ও আগামীকালের (শনিবার) ম্যাচ দুটিও একদিন করে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত সূচিতে থাকা ১৬ জানুয়ারির দুই ম্যাচ ১৭ জানুয়ারি ও ১৭ জানুয়ারির দুই ম্যাচ ১৮ জানুয়ারি মাঠে গড়াবে। সেদিন শেষ হবে লিগপর্ব। একইভাবে পাল্টে গেছে প্লে-অফের সূচি। লিগপর্বের পর একদিন ফাঁকা রাখতে ১৯ জানুয়ারির দুটি প্লে-অফ ম্যাচ ২০ জানুয়ারি নেওয়া হয়েছে। অপরিবর্তিত রয়েছে ২১ জানুয়ারিতে নির্ধারিত দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ। ২৩ জানুয়ারি ফাইনাল দিয়ে বিপিএলের দ্বাদশ আসর শেষ হবে।
এদিকে, টিকিটের অর্থ ফেরতের নিয়ম জানিয়ে বিসিবি বলছে, যারা ১৫ জানুয়ারি বিপিএলের নির্ধারিত ম্যাচের টিকিট কেটেছিলেন, তারা অর্থ ফেরত পাবেন। দর্শকরা বিসিবির যে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করেছেন, সেখান থেকে ফেরত পাবেন অর্থ। এজন্য এই ওয়েবসাইট এবং +880 9606-501231 নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী বিভিন্ন ম্যাচের টিকিটও একইভাবে সংগ্রহ করতে পারবেন সমর্থকরা। মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে চলমান বিপিএলের বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
প্রসঙ্গত, ক্রিকেটাররা দাবি না মানার আগপর্যন্ত খেলা বয়কটের ঘোষণা দিলেও গতকাল বিপিএল মাঠে গড়ানো নিয়ে স্পষ্ট বার্তা ছিল না কোনোপক্ষ থেকেই। ফলে খেলা দেখতে যথারীতি স্টেডিয়াম প্রাঙ্গনে এসেছিলেন সমর্থকরা। এরপর খেলা শুরু না হলেও বেশ কিছু দর্শক গ্যালারিতেও প্রবেশ করেন। তবে তাদের বড় একটি অংশ গেইটের বাইরে অপেক্ষায় ছিলেন। পরে খেলা না হওয়ায় দর্শকদের কেউ কেউ ক্ষোভে স্টেডিয়ামের বাইরে ভাংচুর শুরু করলে লাঠিচার্জ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এএইচএস