মাঠ ত্যাগে যে শাস্তি হতে পারে সেনেগালের

ঘরের দর্শকদের সামনে মরক্কোর হাতেই ট্রফি ওঠার কথা ছিল। ব্রাহিম দিয়াজ করলেন ভুল। রাবাতের ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ইনজুরি টাইমের শেষ মুহূর্তের পেনাল্টির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সেনেগাল মাঠ ছেড়ে উঠে যায়। প্রায় ২০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর আবার মাঠে ফেরে তারা। যোগ করা সময়ের ২৪তম মিনিটে দিয়াজ পেনাল্টি কিক নেন। কিন্তু ততক্ষণে মনোযোগ হয়তো নড়ে গিয়েছিল তার। রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গারের দুর্বল পানেনকা শট লুফে নেওয়া ছিল সেনগাল কিপার এদুয়ার্দো মেন্দির জন্য খুব সহজ। তারপর অতিরিক্ত সময়ের গোলে মরক্কোর হৃদয় ভেঙে দিয়ে আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের চ্যাম্পিয়ন হলো সেনেগাল।
শিরোপা জিতলেও তুমুল আলোচনায় ফাইনালে দলটির ফুটবলারদের মাঠ ছাড়ার ঘটনা। বিতর্কিত এই কাণ্ডে শাস্তির খড়গ নেমে আসতে পারে সাদিও মানেদের ওপর।
ফাইনালের উত্তপ্ত মুহূর্তে প্রধান কোচ পাপে থিয়াওকে খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়তে ইশারা করতে দেখা গেছে—যা আফকনের নিয়মাবলির ৩৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন। এ ঘটনা পর্যালোচনা করছে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ)।
আফকনের নিয়মে বলা আছে—‘যেকোনো কারণে যদি কোনো দল প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ায়, ম্যাচে উপস্থিত না হয়, খেলতে অস্বীকৃতি জানায় অথবা রেফারির অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগে মাঠ ত্যাগ করে, তবে সেই দলকে পরাজিত হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং চলমান প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া হবে। সিএএফ-এর সিদ্ধান্তে আগে যারা অযোগ্য ঘোষিত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।’
সেনেগাল যেহেতু মাঠ ছাড়লেও পরে ফিরে এসে খেলা শেষ করেছে, তাই সরাসরি বহিষ্কারের বদলে জরিমানা, আনুষ্ঠানিক সতর্কতা, ম্যাচের ফল নিয়ে পুনর্বিবেচনা বা ভবিষ্যৎ ম্যাচে শাস্তি—এ ধরনের সিদ্ধান্তও আসতে পারে।
এইচজেএস