‘মাশরাফিসহ দু’জন দেশে থাকতে পারলে সাকিব কেন নয়?’

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আর দেশে ফেরা হয়নি সাকিব আল হাসানের। রাজনৈতিক কারণে দেশে না ফেরার পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়েও খেলা হচ্ছে না সাকিবের। মাঝে দেশে আসার বিমান ধরলেও, মাঝপথেই নাটকীয়ভাবে তার যাত্রা বাতিল হয়ে যায়। বেশকিছু মামলাও আছে সাকিবের নামে। এদিকে, হঠাৎ করেই সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে বাংলাদেশ জাতীয় দলে ফেরানোর কথা জানিয়েছে বিসিবি।
গতকাল (শনিবার) বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর দুজন ক্রিকেটারের উদাহরণ টেনে বলেছেন, তারা বাংলাদেশে থাকলে সাকিবও থাকবেন। আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাও। তিনিও বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। ফলে সাকিবের দেশে ফিরতে কোনো অসুবিধা দেখছেন না আসিফ।
আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকা সত্ত্বেও মাশরাফির দেশে অবস্থানের উদাহরণ টেনে সংবাদ সম্মেলনে আসিফ বলেছেন, ‘সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে দুই-তিনটি উদাহরণ আছে। এক মাশরাফি বিন মুর্তজা। সে বাংলাদেশে অবস্থান করছে। ৩ আগস্টের পর আরেকজন ক্রিকেটারও বাংলাদেশে অবস্থান করেছে। এই দু’জন যদি থাকতে পারে সাকিব আল হাসান কেন নয়?’
আসিফ আরও বলেন, ‘সাকিব সংসদ সদস্য হওয়ার আগে বাংলাদেশের খেলোয়াড় ছিলেন। বাংলাদেশে সাকিবের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, সেই জায়গা থেকেই তাকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া।’ এ ছাড়া সাকিবের মামলা-সংক্রান্ত বিষয়ে বিসিবির এই পরিচালক বলেন, ‘সাকিবের ব্যক্তিগত ইস্যুগুলো কীভাবে কী হবে এটা সরকারের বিষয়। আমরা বোর্ডের পক্ষ থেকে সাকিবকে চেয়েছি। বোর্ডের যে চুক্তিবদ্ধ প্লেয়ারদের তালিকা হবে, সেখানে আমরা সাকিবকে (রাখার) প্রস্তাব রেখেছি। সে দেশে এসে রিটায়ার করার একটা ইচ্ছা। সাকিব একটা ব্র্যান্ড, এমন প্লেয়ার আমরা আর ১০০ বছরেও পাব না।’
অন্যদিকে, বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেছেন, ‘সাকিবের সঙ্গে বোর্ড থেকে যোগাযোগ করা হলে, হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে দুই (ধরনের) সিরিজই খেলতে পারবে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছিল। সাকিব বলেছে (খেলতে চায়), সেখান থেকেই (বোর্ড থেকে তাকে খেলানোর) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
এসএইচ/এএইচএস