‘বি’ দল পাঠিয়ে পাকিস্তানকে অপমান করেছে অস্ট্রেলিয়া!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শেষ সিরিজ খেলছে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া। ২০২২ সালের পর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি খেলতে পাকিস্তানে অজিরা। কিন্তু বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়া ৭ খেলোয়াড়কে নিয়ে এসেছে তারা। যাকে অস্ট্রেলিয়ার ‘বি’ দল বলা হচ্ছে। আর বিশ্বকাপের প্রস্তুতিমূলক সিরিজে এমন দুর্বল দল পাঠানোকে অপমানজনক হিসেবে দেখছে পাকিস্তানের ক্রিকেটবোদ্ধারা।
পাকিস্তানের ফ্লাইটে চড়েননি প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজেলউড, টিম ডেভিড, নাথান এলিস ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ম্যাক্সওয়েল বাদে বাকিরা ইনজুরি কাটিয়ে ওঠার লড়াইয়ে আছেন। বিশ্বকাপ দলে না থাকা শন অ্যাবট, মাহলি বিয়ার্ডম্যান, বেন ডারশুইস, জ্যাক এডওয়ার্ডস, মিচ ওয়েন, জশ ফিলিপ্পে ও ম্যাথু রেনশকে পাকিস্তান সফরে রাখা হয়েছে।
এমন দল পাঠানোর কারণে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন সাবেক তারকা। সাবেক অধিনায়ক মঈন খান শুধু অস্ট্রেলিয়াকে নয়, এসইএনএ দেশগুলো সম্প্রতি পাকিস্তানে দুর্বল দল পাঠানোর ব্যাপারটি মনে করালেন। তিনি বললেন, ‘সম্প্রতি আমরা দেখেছি নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া দুর্বল দল নিয়ে পাকিস্তানে আসছে। এটা এমন যেন তারা শুধু একটি সিরিজ খেলার আনুষ্ঠানিকতা রক্ষা করছে।’
গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত প্রথম টি-টোয়েন্টির একাদশে তিনজন নবাগতকে রেখেছিল অস্ট্রেলিয়া। অধিনায়ক মিচেল মার্শ, অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মার্কাস স্টয়নিস, উইকেটকিপার ব্যাটার জশ ইংলিস ও প্রথমত সারির পেসার স্কট অ্যাবট ও বেন ডারশুইস ছিলেন না একাদশে। এই তারকাদের ছাড়া ম্যাচ খেলায় অনেকের প্রশ্ন- এই সিরিজকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া?
ক্রিকেট বিশ্লেষক ও লেখখ ওমাইর আলাভি বলেছেন, তারা এরই মধ্যে তাদের কিছু মূল খেলোয়াড়দের ছাড়া এসেছে এবং প্রথম ম্যাচে তারা তাদের সেরা খেলোয়াড়দের খেলায়নি। আমি এটাকে পাকিস্তান ক্রিকেট ভক্তদের জন্য অপমানজনক হিসেবে দেখছি।’
সাবেক টেস্ট ব্যাটার ও প্রধান নির্বাচক হারুন রশিদ বললেন, ‘বিশ্বকাপের একেবারে আগে যখন একই কন্ডিশনে খেলতে হবে, তখন তিন ম্যাচের সিরিজ খেলতে আসা এবং সেরা খেলোয়াড়দের মাঠে না নামানো বিভ্রান্তিকর।’
এফএইচএম/