সোলাঙ্কের স্করপিয়ন কিকে ম্যানসিটির শিরোপা স্বপ্নে বড় ধাক্কা

ডমিনিক সোলাঙ্কের অবিশ্বাস্য স্করপিয়ন কিক। দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও টটেনহ্যাম হটস্পারের প্রত্যাবর্তন ছাপিয়ে আলোচনায় তার অদ্ভুত গোল। ইংলিশ ফুটবলারের ওই গোলে ম্যানচেস্টার সিটির প্রিমিয়ার লিগ শিরোপার স্বপ্নে বড় ধাক্কা দিলো স্পাররা। দুই গোলে এগিয়ে থেকেও সিটি ড্র করেছে ২-২ ব্যবধানে।
নর্থ লন্ডনে প্রথমার্ধে রায়ান শেরকি ও আন্তোয়ান সেমেনিওর গোলে পেপ গার্দিওলার দল সহজ জয়ের পথে ছিল। কিন্তু বিরতির পর সোলাঙ্কে গোল ব্যবধান কমানোর পর মৌসুম সেরা গোলের অন্যতম দাবিদার হিসেবে সমতাও ফেরান। ইংল্যান্ড স্ট্রাইকারের ওই গোলটি ২০১৭ সালে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে আর্সেনালের হয়ে করা অলিভিয়ের জিরুদের বিখ্যাত অ্যাক্রোবেটিক গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল।
আগের দিন লিডসের বিপক্ষে আর্সেনাল ৪-০ গোলের জয়ে ম্যানসিটিকে ৭ পয়েন্টে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান সুসংহত করে। সেই ব্যবধান চারে নামাতে মাঠে নেমেছিল সিটি। কিন্তু দুই গোলের লিড নিয়ে পা ফসকে ব্যবধান দাঁড়াল ৬ পয়েন্টে।
২৪ ম্যাচে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরে আর্সেনাল। ম্যানসিটির ধাক্কায় ২২ বছরে প্রথম শিরোপা জয়ের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হলো গানাররদের। সমান ম্যাচ খেলে ৪৭ পয়েন্ট সিটির। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাস্টন ভিলা (৪৬) মাত্র এক পয়েন্ট পেছনে।
শুরুটা দারুণ করে ম্যানসিটি। টটেনহ্যামের ইভেস বিসৌমার কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে আক্রমণে ওঠেন বার্নার্দো সিলভা। তার কাছ থেকে বল পেয়ে আর্লিং হালান্ড বল দেন শেরকিকে। নিচু ড্রাইভে দূরের পোস্ট দিয়ে জাল কাঁপান তিনি।
বিরতির আগের মিনিটে সেমেনিও ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। রাদু দ্রাগুসিনের বেখেয়ালি পাসে বল পড়ে রদ্রির পায়ে। তিনি খুঁজে পান সিলভাকে। প্রতিপক্ষের নজরের বাইরে থেকে সেমেনিও তার কাছ থেকে বল পেয়ে জালে ঠেলে দেন। বোর্নমাউথ থেকে সিটিতে এসে সব প্রতিযোগিতায় পাঁচ ম্যাচে এটি ছিল ঘানা ফরোয়ার্ডের চতুর্থ গোল।
প্রথমার্ধে প্রাণহীন টটেনহ্যাম বিরতির আট মিনিট পর ঘুরে দাঁড়ানোর আশা ফিরে পায়। জাভি সিমন্সের পাসে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শট নেন সোলাঙ্কে। শেষ মুহূর্তে মার্ক গুয়েহি ট্যাকল করেন, কিন্তু ইংলিশ স্ট্রাইকারের শটে বল তার পায়ে লেগে জালে ঢোকে।
লম্বা সময় ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখা ম্যানসিটি পথ হারায়। ৭০তম মিনিটে আরেকটি গোল হজম করে তারা। কনোর গ্যালাঘারের ক্রসে সোলাঙ্কে ভারসাম্য ধরে রেখে ব্যাকফ্লিকে অসাধারণ শটে দোনারুম্মাকে পরাস্ত করেন। শেষ মুহূর্তে ম্যানসিটি কিপারের সেভে সিমন্সের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে জয় পায়নি স্পাররা।
এফএইচএম/