‘প্রতিটি বলই গুরুত্বপূর্ণ’, নিউজিল্যান্ড ম্যাচের আগে প্রোটিয়া অধিনায়ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ‘ডি’ গ্রুপের দুই পরাশক্তি দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে নামার আগে উভয় দলই আগের দুই খেলায় জিতেছে। আজ (শনিবার) রাত সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আহমেদাবাদে লড়বে এই দুই দল। এই ম্যাচের প্রতিটি ডেলিভারিই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মার্করাম।
মূলত মার্করামের এই মন্তব্যের নেপথ্য ঘটনা বুঝতে তাদের সর্বশেষ ম্যাচে নজর দিতে হবে। আফগানিস্তানের সঙ্গে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে গত ১১ ফেব্রুয়ারি জিতেছিল দক্ষিণ অফ্রিকা। সেই ম্যাচে মূল ম্যাচ টাই হওয়ার পর সুপার ওভারেও একই ঘটনা ঘটে। শেষমেষ খেলার ফল নির্ধারিত হয় দ্বিতীয় সুপার ওভারে। সেদিন ৪ রানে জয়ের পরই টি-টোয়েন্টি ম্যাচের প্রতিটি বল যে গুরুত্বপূর্ণ সেই চিন্তায় মগ্ন মার্করাম। তার ওপর তাদের বিপক্ষে খেলতে যাওয়া কিউইরাও দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে।
নিউজিল্যান্ড ম্যাচের আগে প্রোটিয়া অধিনায়ক বলছেন, ‘প্রতিটি বলই যে গুরুত্বপূর্ণ সেটি বুঝতে পারছি। এমনকি ম্যাচের ছোট ছোট মুহূর্তও ফল নির্ধারণী হয়ে উঠতে পারে এবং শেষ মুহূর্তে ফলাফল পক্ষে আনার চেষ্টায় বেশি জোর দেওয়া যাবে না। এক ম্যাচে দুটি সুপার ওভার, আমার মতে আমাদের বেশিরভাগই এর অংশ নয়। কিন্তু নিশ্চিতভাবে এটি স্নায়ু-বিনাশী!’

প্রোটিয়াদের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচের শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৩ রান দরকার ছিল আফগানদের, হাতে ছিল স্রেফ এক উইকেট। শুরুতে কাগিসো রাবাদা উইকেট তুলে নিলেও পরে জানা যায় সেটি ছিল ‘নো’ বল। এভাবে শেষ ওভারে দুটি নো বল দিয়েছেন এই তারকা পেসার, যা কাজে লাগিয়ে ১২ রান নিয়ে ম্যাচ ড্র করে ফেলেন আফগান স্পিনার নুর আহমদ। যদিও ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব বোলারদেরই দিলেন মার্করাম, ‘শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তারা শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিল। তবে নো বল বা এরকম কিছুর জন্য নয়, দুই ম্যাচে আমরা অতিরিক্ত ২২ রান দিয়েছি, যা এই ফরম্যাটে অনেক বেশি।’
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে নামার আগে তাদের সঙ্গে খেলা চ্যালেঞ্জিং বলে দাবি করেন কিউই পেসার ম্যাট হেনরি। তিনি বলেন, ‘আপনি সবসময়ই সেরা দলে থাকতে চাইবেন। সেটি হোক ক্রিকেট কিংবা রাগবি, আপনি সবসময় এমন ম্যাচের অংশ হতে চাইবেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও বিশ্বকাপে একই উন্মাদনা থাকবে, কিছুই পরিবর্তন হয়নি। তারা সবসময় কঠিন প্রতিপক্ষ, তাই আমরা চ্যালেঞ্জিং কিছুর অপেক্ষায় আছি।’
এএইচএস