ভারতের যত অবাঞ্ছিত রেকর্ড

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গতকাল (রোববার) সুপার এইটের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই অপরাজিত দল— ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। আহমেদাবাদে ডেভিড মিলার ঝড় তুললেন। তাতে চাপা পড়ল ভারত। মার্কো ইয়ানসেন ও কেশভ মহারাজের দারুণ বোলিংয়ে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে রান তাড়ায় সফল হয়নি স্বাগতিকরা। বড় হারে অবাঞ্ছিত কয়েকটি রেকর্ডের মালিক হতে হয়েছে ভারতকে।
৭৬— পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রানের হিসাবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের হারের ব্যবধান তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাজয়। ২০১৯ সালে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৮০ রানের হারের পর এটাই সর্বোচ্চ।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত প্রথমবার পঞ্চাশের বেশি রানের ব্যবধানে হারল ভারত। তাদের আগের সবচেয়ে বড় পরাজয় ছিল ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৯ রানে।
১২— দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের আগে বিশ্বকাপে ভারতের টানা জয়। ২০২২ সালের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর এই জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা ছিল এই প্রতিযোগিতায় যে কোনো দলের জন্য দীর্ঘতম জয়ের ধারা।
১৭— রোববারের হারে আইসিসির সীমিত ওভারের টুর্নামেন্ট ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি মিলিয়ে ভারতের টানা ১৭ ম্যাচ জয়ের রেকর্ডে ছেদ পড়ল। তাদের আগের হার ছিল ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে, সেটিও ছিল আহমেদাবাদে।
১৪-৭— টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই হারের পর রান তাড়ায় ভারতের জয়-পরাজয়ের রেকর্ড এটি। এই প্রতিযোগিতায় তাদের চেয়ে ভালো জয়-পরাজয়ের রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার, ২২ জয়ের বিপরীতে ১০ হার।
৩৩— টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জসপ্রীত বুমরাহর উইকেট, ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ। রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও আর্শদীপ সিং ৩২ উইকেট নিয়ে তার পেছনে।
১১— এই বিশ্বকাপে ভারতের ডাক মারা ব্যাটারের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত যে কোনো দলের জন্য যা সর্বোচ্চ।
১১১/২— ভারতের বিপক্ষে মাঝের ওভারে (৭-১৬ ওভার) দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর। এই টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে এসে একটি ইনিংসে কেবল নিউজিল্যান্ড বেশি রান তুলেছিল (কানাডার বিপক্ষে ১১৬/০)। বিশ্বকাপের ম্যাচে মাঝের ওভারে যৌথ সর্বোচ্চ রান হজম করল ভারত। ২০০৭ সালের সেমিফাইনালে তাদের বিপক্ষে ২ উইকেটে ১১১ রান করেছিল ভারত।
এফএইচএম/