বাংলাদেশকে সমীহ করছে সর্বাধিক চ্যাম্পিয়ন চীন

চলমান এশিয়া কাপে বাংলাদেশই একমাত্র দল যারা প্রথমবার এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে। অন্য ১১ দলের কখনও না কখনও এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আগামীকাল বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার আগে সবচেয়ে বেশিবার এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন হওয়া চীন সমীহ করছে।
র্যাংকিং কিংবা শক্তিমত্তা কোনো সূচকেই চীনের সঙ্গে লড়াইয়ের মতো অবস্থায় নেই বাংলদেশ। এরপরও চীনের কোচ আন্তে মিলিচিক বলছেন, ‘‘আমরা প্রতিটি প্রতিপক্ষকে সম্মান করি এবং বিশ্লেষণ করি। বাংলাদেশ দল খুব তরুণ এবং এগ্রেসিভ। তারা মিয়ানমারকে তাদের মাঠে হারিয়ে এখানে আসার যোগ্যতা অর্জন করেছে।’’
চীনের নারী ফুটবলাররা বিশ্বমানের। সেই হিসেবে বাংলাদেশের ফুটবলাররা দক্ষিণ এশিয়ার গণ্ডি মাত্র পার করেছেন। এরপরও বাংলাদেশের কয়েকজন খেলোয়াড়ের ওপর নজর রয়েছে চীন কোচের, ‘‘তাদের কিছু ভালো ব্যক্তিগত খেলোয়াড় আছে। আমরা তাদের মোটেও খাটো করে দেখছি না। গত চার বছরে নারী ফুটবলে বিনিয়োগ এবং মান অনেক বেড়েছে।’’
বাংলাদেশের র্যাংকিং ১১২, চীনের ১৭। এত ব্যবধান থাকলেও অঘটন নিয়ে সতর্ক চীন, ‘‘আধুনিক ফুটবলে যেকোনো দল যেকোনো দিনে কঠিন সময় উপহার দিতে পারে। বাংলাদেশ এখানে কোনো চাপ ছাড়াই খেলবে। বাংলাদেশ র্যাঙ্কিংয়ে নিচে থাকলেও আমরা কালকের ম্যাচের আগে অন্য কিছু নিয়ে ভাবছি না। ধাপে ধাপে এগোতে চাই।’’
অধিনায়ক উ হাইয়ান বলেন, ‘‘আমরা এরই মধ্যে ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। আগামীকাল আমাদের প্রথম ম্যাচ এবং কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও আমি বিশ্বাস করি, আমরা ইতিবাচক পারফরম্যান্স দেখাতে পারব।’’
চীনের কোচ এ রকম বললেও বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার অবশ্য বেশি বাস্তববাদী, ‘‘শুন্য শুন্য ড্র হবে ( প্রশ্নের প্রেক্ষিতে) এমন প্রত্যাশা করছি না। আমাদের চেষ্টা থাকবে যতসম্ভব লড়াই ও ভালো খেলা উপহার দেয়া।’’
এজেড/এমএমএম