ঋতুপর্ণা-মনিকায় মুগ্ধ চাইনিজ কোচ, গোলরক্ষকে বিস্ময়!

সিডনির কমনওয়েলথ ব্যাংক স্টেডিয়ামে প্রেস কনফারেন্স কক্ষ বেশ বড়ই। নারী এশিয়ান কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীন। তাদের কোচ আন্তে মিলিচ বাংলাদেশকে হারিয়ে সংবাদ সম্মেলন কক্ষে ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়কে নিয়ে আসলেও মুখটা খানিক গোমরাই। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন দল বাংলাদেশের বিপক্ষে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ২-০ গোলে জিতেছে।
গতকাল ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে চীনের কোচ আন্তে মিলিচ বাংলাদেশের ফুটবলারদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের প্রশংসা করেছিলেন। আজকের ম্যাচে বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড়রা তার বিশেষ নজর কেড়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কয়েকজন ইন্ডিভিজুয়াল স্কিল ফুটবলার রয়েছে নাম্বার ৬ (মনিকা চাকম), ৮ (মারিয়া মান্দা) এবং ১৭ (ঋতুপর্ণা চাকমা) দারুণ খেলেছে। বাংলাদেশের তেমন চাপ ছিল না, চাপহীনভাবে ভালোই খেলেছে।’
বাংলাদেশের নিয়মিত গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা। চীনের মতো প্রতিপেক্ষর বিরুদ্ধে রুপ্নাকে একাদশেই রাখেননি কোচ পিটার বাটলার। বাংলাদেশের ফুটবলসংশ্লিষ্টদের মতো চাইনিজ কোচও এতে বিস্মিত হয়েছেন, ‘বাংলাদেশের গোলরক্ষক নির্বাচনের সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছি। এই গোলরক্ষকও তাদের মতো (ঋতুপর্ণাদের) অসাধারণ খেলেছে।’
বাংলাদেশের চেয়ে র্যাংকিংয়ে চীন ৯৫ ধাপ এগিয়ে। চীনের খেলোয়াড়রা অত্যন্ত অভিজ্ঞ। এশিয়া কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নও তারা। এরপরও বাংলাদেশের মতো নবীন প্রতিপক্ষের সঙ্গে মাত্র ২-০ গোলে জয়। স্কোরলাইন ও পারফরম্যান্স নিয়ে চাইনিজ কোচ বলেন, ‘বাংলাদেশ ইয়াং টিম। চাপহীন থেকে ফ্রি খেলেছে। আমরা এ রকমই প্রত্যাশা করেছিলাম। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ এ রকমই হয়। আমরা জিতেছি, ক্লিনশিট রয়েছে এতে সন্তুষ্ট।’
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন জ্যাং। তিনি ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এভাবে, ‘আমাদের ওপর প্রত্যাশা অনেক। সেই প্রত্যাশা আমরা পুরোপুরি পূরণ করতে পারিনি, তবে জিতেছি।’
এজেড/এইচজেএস