বিশ্বকাপ জিতে দুই বছর আগের পরিকল্পনার কথা জানালেন সূর্যকুমার

ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন সূর্যকুমার যাদব। প্রথমবার অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে নেমেই দলকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন তিনি। মাঠে সাফল্যের দিনে দু’বছর আগের পরিকল্পনার কথা জানালেন ভারতীয় কাপ্তান।
আহমেদাবাদের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে সূর্যকুমার বলেন, “এই গল্পটা ২০২৪ সালে শুরু হয়েছিল। জয় (শাহ) ভাই তখন সচিব ছিলেন। উনি আমার ওপর ভরসা দেখিয়েছিলেন। রোহিত ভাইও আমার হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন। তারপর থেকে অনেক পরিকল্পনা করেছি। অনেক পরিশ্রম করেছি। ২০২৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ের অভ্যাস এবারও ধরে রেখেছি।”

এরই মধ্যে নতুন লক্ষ্যও ঠিক করে ফেলেছেন সূর্যকুমার, তাও একটি নয়–দুটি! ভারতের ক্যাপ্টেনের পরবর্তী লক্ষ্য অলিম্পিক স্বর্ণ জয়। ২০২৮ সালের আগস্টে লস অ্যাঞ্জেলসের অলিম্পিকে ক্রিকেট ফিরছে। ক্রিকেটে এশিয়া থেকে ভারত এই আসরে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ফেলেছে। সেখানে এবার সোনার পদক গলায় ঝুলাতে চান সূর্য। একই বছর অলিম্পিক শেষ হওয়ার মাস দুয়েক পর অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে রয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
ফাইনাল শেষে আহমেদাবাদের সংবাদ সম্মেলনে তিলধারণের ঠাঁই ছিল না। সেখানেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ঘোষণা দিলেন সূর্যকুমার, ‘পরের লক্ষ্য হলো অলিম্পিক। ওই বছর অলিম্পিক স্বর্ণ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে চাই। সবাই মনে রাখবেন।’
বিশ্বকাপ জিতে বিশেষভাবে জাসপ্রিত বুমরাহর কথা শোনা গিয়েছে সূর্যকুমারের মুখে। আগের দিন সঞ্জু স্যামসন জানিয়েছিলেন, এক প্রজন্মে বুমরাহর মতো ক্রিকেটার একজনই আসে। আরও খানিকটা এগিয়ে গেলেন সূর্য। তিনি বললেন, “সঞ্জু আগের দিন বলেছিল, বুমরাহর মতো বোলার এক প্রজন্মে একজনই আসে। আমি বলব, বুমরাহ জাতীয় সম্পদ। ও জানে ওকে কী করতে হবে। আমাকে কিছু বলতে হয় না।”

পাশাপাশি বরুণ চক্রবর্তী, অভিষেক শর্মা ও সঞ্জুর কথাও শোনা গিয়েছে ভারত অধিনায়কের মুখে। সূর্য বলেন, “সঞ্জু ঠিক সময়ে দলে এসে নিজের জাত চিনিয়েছে। বরুণ, অভিষেক বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার। ওরা জানে, ওদের কাজ কী। সবাই নিজের ভূমিকা পালন করেছে। দল হিসেবে আমরা জিতেছি।”
এফআই