শুরুতেই সাইফের বিদায়

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখালেন বাংলাদেশের বোলাররা। পাকিস্তানকে থামিয়ে দিয়েছে মাত্র ১১৪ রানেই। কিন্তু রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারাল বাংলাদেশ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার সাইফ হাসান।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ ওভারে ১ উইকেটে ৩৭ রান। এখন ব্যাট করছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। প্রথম দিকে দেখে-শুনেই খেলছিলেন তারা। প্রথম ৯ ওভারে কোনো উইকেট হারায়নি তারা।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাসকিনকে সরিয়ে নাহিদের হাতে বল দেন মিরাজ। আক্রমণে এসেই দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই তরুণ পেসার। ওভারের শেষ বলে তাকে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
নিজের পরের চার ওভারের সবকটিতেই উইকেট পেয়েছেন নাহিদ। যথাক্রমে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান এই ডানহাতি পেসার। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ফাইফার পূরণ করেন তিনি। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার।
১৯তম ওভারে নাহিদের সঙ্গে উইকেট পার্টিতে যোগ দেন মিরাজও। ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভস বন্দি করে ফেরান তিনি। এরপর হোসাইন তালাতকেও ফিরিয়েছেন মিরাজ। ২৩তম ওভারের প্রথম বলে এই ব্যাটারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। একই ওভারের শেষ বলে শাহিন আফ্রিদিকেও ফেরান মিরাজ।
দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।
৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর একশর আগেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফ একাই কিছুটা লড়াই করেন। আবরার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়েন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে কোনোরকমে একশ পেরিয়ে অলআউট হয় পাকিস্তান।
এমএমএম/