ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ভক্তরা গোল গণনা করে চলেছেন। ফুটবল ভক্তদের সবাই একই কাজ করছেন। তারা অপেক্ষা করছেন সেই মুহূর্তের জন্য, যখন তার ক্যারিয়ার গোল ১০০০-এ পৌঁছাবে। এবং রোনালদো সেই পথে দৃঢ়ভাবে ছুটছেন। এমনকি ৪১ বছর বয়সেও তিনি আল নাসর ও পর্তুগাল উভয়ের হয়ে গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে।
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি রোনালদো ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন। গোলদাতার নামের জায়গায় তার শূন্যতাবোধ করছিলেন ভক্তরা। কিন্তু রোনালদো ফিরেছেন রাজকীয়ভাবে। আল নাজমার বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন তিনি, তার দল আল নাসরও টেবিলের শীর্ষে।
কিন্তু নতুন করে একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ট্রান্সফারমার্কেট ও সোফাস্কোর-এর মতো প্ল্যাটফর্ম তার মোট গোলসংখ্যা থেকে ছয়টি গোল সরিয়ে দিয়েছে। কারণটা কী?
২০২৩ আরব ক্লাব চ্যাম্পিয়ন্স কাপে রোনালদো যে গোলগুলো করেছেন, সেগুলো সরিয়ে দিয়েছে এই পরিসংখ্যানভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলো। এমন তথ্য জানা গেছে কিছু প্রতিবেদনে। তাতে রোনালদোর যে ৯৬৭ গোল ছিল, সেটা কমে হয়েছে ৯৬১। এই গণনার ওপর ভিত্তি করে এখন বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তাহলে ১০০০ গোল করতে হলে রোনালদোকে কি ৩৩টি নাকি ৩৯ গোল করতে হবে।
বিজ্ঞাপন
আরব ক্লাব চ্যাম্পিয়ন্স কাপে করা রোনালদোর গোলসংখ্যা বাদ পড়ার কারণ জানা গেছে। ইউনিয়ন অব আরব ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজিত এই টুর্নামেন্টকে ফিফা বড় আন্তর্জাতিক বা মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় না। এ কারণেই এই প্রতিযোগিতায় করা রোনালদোর গোলগুলো বাতিল করেছে এবং কেবল ফিফার স্বীকৃত টুর্নামেন্টের গোল গণনা করেছে।
ওই টুর্নামেন্টে রোনালদো দুর্দান্ত খেলেন। ছয় গোল করে হয়েছিলেন শীর্ষ গোলদাতা। আল হিলালকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আল নাসর। ওই গোল গণনায় ধরেনি সোফাস্কোর ও ট্রান্সফারমার্কেট।
দুই প্ল্যাটফর্মেই রোনালদোর ক্যারিয়ার গোল ৯৬১। ট্রান্সফারমার্কেট বলছে, তার মোট ক্লাব গোল ৮১৮ এবং আন্তর্জাতিক ১৪৩টি। তবে ইএসপিএন-এ রোনালদো ট্র্যাকার এখনো সেই গোল গণনায় রেখেছে, মানে ৯৬৭। এ ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ করা হয়নি এবং ভক্তরা অনলাইনে তর্ক-বিতর্ক চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিজ্ঞাপন
এফএইচএম/
