বিজ্ঞাপন

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১২ দল, থাকবে এক টেস্টের সিরিজ!

অ+
অ-
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১২ দল, থাকবে এক টেস্টের সিরিজ!

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) পরের চক্র থেকে এক টেস্টের সিরিজ অন্তর্ভুক্ত করার কথা বিবেচনা করছেন ক্রিকেট কর্তারা। ১২ দলের অংশগ্রহণে এই টেস্ট লিগ সম্প্রসারণের ব্যাপারেও ভাবছে তারা। নিউজিল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার রজার টুওসের নেতৃত্বে আইসিসির একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ চলতি মাসের শেষে কিংবা মের শুরুর দিকে বোর্ড প্রধানদের সভায় এ ব্যাপারে প্রস্তাবনা পেশ করবে।

বিজ্ঞাপন

গত বছর ওয়ার্কিং গ্রুপটির প্রধান নিযুক্ত হন টুওস। তিনটি আন্তর্জাতিক ফরম্যাটের কারণে সূচি তৈরিতে সমস্যা ও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের ক্রমবর্ধমান ইকোসিস্টেমের কারণে ক্রিকেটের প্রতিযোগিতামূলক অবকাঠামোর উন্নয়নের উপায় খোঁজার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাকে। নভেম্বরে এই গ্রুপ দুই স্তরের ডব্লিউটিসি মডেল উপস্থাপন করলেও একাধিক পূর্ণ সদস্য দেশ তা প্রত্যাখ্যান করে।

এবার এই গ্রুপ জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে ১২ দলের ডব্লিউটিসি মডেল তুলে ধরতে কাজ করছে। পূর্ণ সদস্য হওয়া সত্ত্বেও এই তিনক দেশকে ২০১৯ সালে চালু হওয়া ডব্লিউটিসিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল না। তাতে করে ৯টি চ্যাম্পিয়নশিপ দলের বিপক্ষে তাদের টেস্ট খেলার সুযোগ ছিল সীমিত। দুই বছরের চক্রে পয়েন্ট গণনায় এক টেস্টের সিরিজ অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করবে টুওসের গ্রুপ। বর্তমান আলোচনার বিষয়ে অবগত এক কর্তা বলেছেন, এই তিন দলসহ ছোট দলকে আতিথ্য দিয়ে যেন বড় দলগুলো আর্থিকভাবে লাভবান হয়, সেজন্য এক টেস্টের সিরিজের প্রস্তাব দেবে। বর্তমানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অন্তত দুটি করে ম্যাচ খেলতে হয়।

৯টি পূর্ণ সদস্য দেশ দুই বছরের মধ্যে তিনটি করে হোম ও অ্যাওয়ে সিরিজ খেলে। একটি টেস্টের সিরিজ যুক্ত হলে জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ড লিগে খেলতে পারবে। উদাহরণস্বরূপ জিম্বাবুয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় সফরে যাওয়ার পথে দলগুলোর বিপক্ষে একটি টেস্টের আয়োজন করতে পারে। ইংল্যান্ড হোম সামারে পাঁচটি টেস্ট সিরিজ খেলার আগে-পরে এই তিন দলের একটির সঙ্গে পয়েন্টের বিনিময়ে ম্যাচ আয়োজনের কথা ভাবতে পারবে।

বিজ্ঞাপন

এক কর্মকর্তার মতে, শেষ পর্যন্ত বোর্ডকে দুটি বিষয় বিবেচনা করতে হবে— এক টেস্টকে ডব্লিউটিসির অন্তর্ভুক্ত করা গ্রহণযোগ্য হবে কি না এবং ডব্লিউটিসির অন্তর্ভুক্ত নয় এমন তিন দলের সঙ্গে দুই বছরে আরও বেশি টেস্ট খেলা আর্থিকভাবে টেকসই হবে কি  না।

আইসিসি তাদের শেষ বোর্ড মিটিং আয়োজনের চেষ্টা করে যাচ্ছে, যেটি পশ্চিম এশিয়ায় সংকটের কারণে স্থগিত হয়েছিল। ওই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল কাতারের দোহায়। পরে সেটি করা হয় অনলাইনে। এবার মুখোমুখি হয়ে সভা আয়োজনের পরিকল্পনা, যদিও তারিখ-ভেন্যু কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।

এফএইচএম/