টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের সামনে বোলাররা অসহায় থাকেন। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ব্যাটিংবান্ধব উইকেটেও তারা ভুগছেন। তাদের খরুচে বোলিং দুশ্চিন্তায় ফেলছে দলগুলোকে। ভালো জায়গায় বল ফেললেও বোলারদের থেকে রান বের করছেন ব্যাটাররা। কিন্তু ব্যতিক্রম বাংলাদেশের তিন পেসার। রান আটকে রাখার পাশাপাশি নিয়মিত ডট বল করছেন তারা।
বিজ্ঞাপন
পিএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচেই বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় পেসার মুস্তাফিজুর রহমান খেলেছেন। হায়দরাবাদ কিংসম্যানের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ১৯ রান দিয়ে নিয়েছেন এক উইকেট। আট বছর পর পিএসএলে ফিরে ওই ম্যাচে ৯ ডট বল দেন কাটার মাস্টার। লাহোর কালান্দার্সের জার্সিতে পরে আরও চার ম্যাচ খেলেছেন মুস্তাফিজ। প্রতি ম্যাচেই ডট বল দিয়ে ঝলক দেখিয়েছেন। পাঁচ ম্যাচে মোট ১০২ বল করেছেন ফিজ, যেখানে ডট বল ৩০টি বা ২৯ শতাংশ।
গত বছর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ডট বলের রেকর্ড গড়েন মুস্তাফিজ। চলমান পিএসএলের মাঝেই টি-টোয়েন্টিতে ৩ হাজার ডট বলের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। তার ডট বলের দাপটের মাঝে নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলামও ঝলক দেখাচ্ছেন। পিএসএলে মুস্তাফিজের থেকে কম বল করেও বেশি ডট দিয়েছেন এই দুই পেসার।
বিজ্ঞাপন
মুস্তাফিজের মতো পেশোয়ারের জার্সিতে প্রথম ম্যাচেই খেলেছেন শরিফুল ইসলাম। বাঁহাতি এই পেসার টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই সুইয়ে মুগ্ধতা ছড়ান। রাওয়ালপিণ্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই করেছেন ১১ ডট বল। উইকেট না পেলেও সেই ম্যাচের সবচেয়ে মিতব্যয়ী পেসার তিনি। পিএসএলে অভিষেক আসরে মোট পাঁচ ম্যাচ খেলে শরিফুল ৯০ বল করেছেন। এর মধ্যে ৩৯টি বা ৪৩ শতাংশ ডট বল করেছেন এই পেসার।
নাহিদ রানাকে পিএসএলে খেলতে অপেক্ষা করতে হয়েছে। পেশোয়ারের তৃতীয় ম্যাচে অভিষেক হয় তার। শুরুটা ভালো হয়নি। তিন ওভারে ৩০ রান দিয়ে বিবর্ণ ছিলেন নাহিদ। তার মাত্র ৫ বলে রান নিতে পারেননি হায়দরাবাদের ব্যাটাররা। তবে পরের ম্যাচেই ইতিহাস। করাচি কিংসের বিপক্ষে চার ওভারে ৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট, ডট ছিল ২০টি। পিএসএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ডট বল করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে চার ম্যাচে করা ৮৪ বলের মধ্যে ৪৮টি ডট বল করেছেন নাহিদ, মানে ৫৭ শতাংশের বেশি!
এফএইচএম/
