৩৫ রানে ৩ উইকেট পড়েছিল বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লেতে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে স্কোর ৪৩। সপ্তম ওভারে চার বল হতেই বৃষ্টির কারণে প্রায় দুই ঘণ্টার বিরতি। তারপর ওভারও কমে গেল। মাঠে খেলা ফিরলে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি লিটন দাস। রান বড় করার তাড়নায় ২৫ রানে ক্রিজে নেমে তিনি আর একটি রান যোগ করেন। গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারানোর পর দিশেহারা বাংলাদেশ। মাত্র ১০২ রানে অলআউট, তারপর নিউজিল্যান্ড ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
লিটন বেশ ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলে আউট হন। জশ ক্লার্কসনের লেংথ ডেলিভারি থেকে কিছুটা ফুলার লেংথ। বল ছিল সরাসরি স্টাম্প বরাবর। হাত খুলে মারার জায়গা তৈরি করতে লিটন লেগসাইডে সরে যান এবং সরাসরি সুইপার কভারে থাকা ফিল্ডারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। জ্যাকবসকে ক্যাচটা নিতে খুব একটা নড়াচড়াও করতে হয়নি।
নিজের আউট প্রসঙ্গে লিটন বলেন, ‘এমন পরিস্থিতি ছিল… আমি আর হৃদয় পার্টনারশিপ আরও বড় করলে খেলা ভিন্ন হতো। টি-টোয়েন্টিতে এমন ব্রেক চলে আসা, এরপর ওভার কমিয়ে দেওয়া, বাড়তি চাপ থাকেই- প্রতিপক্ষকে বড় স্কোর ছুঁড়ে দিতে হবে। আর হাই রিস্ক ক্রিকেট খেললে আউট হবেন। ওখান থেকে কিছু করার ছিল না। যে শট খেলেছি ওটাতে সফল হলে খেলা আরও গভীরে যেত।’
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হলো ১-১ সমতার মধ্যে দিয়ে। বাংলাদেশের সিরিজ জয় দেখতেই এসেছিলেন দর্শকরা। বৃষ্টির আভাস থাকলেও তাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাদের হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে। দর্শকদের উদ্দেশ্যে লিটন বলেন, ‘সবাইকে ধন্যবাদ, অনেক দিন পর সবাই মাঠে এসেছেন। পরেরবার আপনারা যখন মাঠে আসবেন তখন আপনাদের আমরা হাসিমুখে বিদায় দিতে পারব।’
৩ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেওয়া শরিফুল ইসলামের প্রশংসা করেছেন তিনি, ‘আমি আর হৃদয় যখনই জুটি গড়ার চেষ্টা করেছি। তখনই বৃষ্টি এসেছে। আজকের দিনটা আমাদের ছিল না। শরিফুল যদি এভাবে বোলিং করে যেতে পারে তাহলে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরও বেশি খুশি হবে।’
ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৩ রান করা তাওহীদ হৃদয়ের কন্ঠেও ঝরেছে হতাশা, ‘আজকে খেলাটা শেষ করা উচিত ছিল। কিন্তু আমি পারিনি। সবসময় স্কোরবোর্ডের দিকে দেখছিলাম এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করছিলাম।’
এসএইচ/এফএইচএম
