ঘনিয়ে আসছে ফুটবল বিশ্বকাপ। সবার আগে দল ঘোষণা করেছে উজবেকিস্তান। তারা ৪০ জনের স্কোয়াড দিয়েছে। এখান থেকেই নির্বাচন করা হবে চূড়ান্ত দল। অন্য ৪৭ দলও তাদের স্কোয়াড ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশ্বকাপের জন্য সেরা স্কোয়াড বাছাইয়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর কোচিং স্টাফদের ঘাম ছুটছে। স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বকাপের জন্য স্কোয়াড চূড়ান্ত করা বেশ চ্যালেঞ্জিং।
কাতারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের মতো আসন্ন টুর্নামেন্টেও প্রত্যেক স্কোয়াডে নিতে হবে ২৬ খেলোয়াড়। কবে এই চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করা হবে, আবার দল পরিবর্তনে কী নিয়ম সেটাও জানার বিষয়।
আগামী ১১ জুন শুরু হবে বিশ্বকাপের নতুন আসর। এর ৯ দিন আগে অর্থাৎ ২ জুন ৪৮ দেশের ২৬ জন খেলোয়াড়ের স্কোয়াড ঘোষণা করতে যাচ্ছে ফিফা। এর আগে ইতোমধ্যে ৩৫ থেকে ৫৫ জন খেলোয়াড়ের একটি স্কোয়াড প্রত্যেক দেশ জমা দিয়েছে বিশ্ব ফুটবল সংস্থার কাছে, যার মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে চার জন গোলকিপার রাখা হয়েছে। এই তালিকা ফিফা প্রকাশ করবে না।
অন্তত তিন গোলকিপারকে রেখে ৪৮ দলের প্রত্যেকে ২৩ থেকে ২৬ জনের স্কোয়াড চূড়ান্ত করবে। এই দল থেকে খেলোয়াড় পরিবর্তন করা যাবে, তবে সেই বদলি খেলোয়াড়কে অবশ্যই প্রাথমিক স্কোয়াড থেকে আনতে হবে। আর কেবল মাত্র গুরুতর ইনজুরি বা অসুস্থতার কারণে এই পরিবর্তনের অনুমতি দেবে ফিফা। এই পরিবর্তনের শেষ সময় হবে বিশ্বকাপে সেই দলের প্রথম ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগে।
একইভাবে কোনো ধরনের অসুস্থতা বা ইনজুরিতে পড়লে চূড়ান্ত স্কোয়াডের গোলকিপারের স্থলাভিষিক্ত করতে হবে প্রাথমিক দলের গোলকিপারকে, সেটা টুর্নামেন্ট চলাকালে যে কোনো সময়।
জাতীয় দলগুলো যে কোনো সময় তাদের স্কোয়াড ঘোষণা করতে পারবে, কিন্তু ২ জুন ফিফা চূড়ান্ত দল ঘোষণার আগে সেটি আনুষ্ঠানিক হিসেবে বিবেচিত হবে না।
বিশ্বকাপে খেলার জন্য সময়মতো ছাড়পত্র পেতে সময় নির্ধারণ করে দেবে ফিফা। বিশ্বকাপের জন্য খেলোয়াড়দের বিশ্রাম, প্রস্তুতি ও বাধ্যতামূলক অব্যাহতি শুরু হবে তাদের ক্লাবের সঙ্গে অফিসিয়াল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরের দিন অর্থাৎ ২৫ মে থেকে। তবে যেসব খেলোয়াড় তাদের ক্লাবের হয়ে মহাদেশীয় ক্লাব প্রতিযোগিতার ফাইনালে অংশ নেবে, ফিফার অনুমতি সাপেক্ষে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হবে ৩০ মে থেকে।
এফএইচএম

