বিজ্ঞাপন

যে কারণে পাকিস্তান সিরিজের মাঝে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার প্রসঙ্গ উঠল

যে কারণে পাকিস্তান সিরিজের মাঝে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার প্রসঙ্গ উঠল

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে লড়ছে বাংলাদেশ দল। চতুর্থ দিন শেষে মিরপুর টেস্টে এগিয়ে রয়েছে টাইগাররা। এখন শেষ দিনে রোমাঞ্চের অপেক্ষা। চতুর্থ দিনের শেষদিকে বাংলাদেশি ব্যাটারদের ধীরগতিতে রান তোলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে তাতে সমস্যা দেখেন না ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর অতীত স্মৃতি স্মরণ করলেন তিনি। 

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। যার জন্য বাংলাদেশ এখনও দল ঘোষণা করেনি। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় টেস্টের দলে কোনো পরিবর্তন আসবে কিনা সেটা এখনি বলা যাচ্ছে না। এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আশরাফুল বলেন, ‘দলের যে ১৫ জনকে নেওয়া হয় তারাই সেরা। সেরা খেলোয়াড়দেরই দলের সঙ্গে থাকা উচিত। যেহেতু চোট পেলে বিকল্প খেলোয়াড় লাগে, তাই আমি আশা করি নির্বাচকরা সেরা ১৫ জনকেই নির্বাচন করবেন।’

এতদিন পর টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ দল। এ ছাড়া এবারের উইকেটও স্পোর্টিং। এমন উইকেটে খেললে ক্রিকেটারদের স্ট্রাইকরেট ভালো থাকে বলে মনে করেন আশরাফুল, ‘যারা টেস্ট খেলছে ৭-৮টা প্লেয়ার, তাদের জন্য আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়। এ ছাড়া এত ভালো উইকেট এ আমরা নিয়মিত খেলিও না। গত ৬-৭ মাস থেকে খেলছি। আগে ২২০-২৩০ করলেই ফল পাওয়া যেত, আমরা এখানে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়াকেও হারিয়েছিলাম ২৩০-২৬০ করে।’

‘অস্ট্রেলিয়া বা ইংল্যান্ডের খেলা দেখলে দেখবেন তাদের ম্যাজিক ফিগার ৫-এ চলে গেছে। পরিস্থিতি যা দাবি করে সেটাই করতে হয়। ফ্ল্যাট উইকেট হলে তার স্ট্রাইকরেট হয়তো ৬৫-৭০ হতে পারত। তবে এ ধরণের চ্যালেঞ্জিং উইকেট এ আমি মনে করি ৪০ থেকে ৫০ স্ট্রাইক রেট থাকলেও আলহামদুলিল্লাহ’, আরও যোগ করেন সাবেক এই বাংলাদেশি তারকা।

দ্রুত রান তোলার ক্ষেত্রে ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ কম খেলাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেন আশরাফুল, ‘আমরা শেষ টেস্ট খেলেছি নভেম্বরের ১৯ বা ২৩ তারিখে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে। মাঝখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস আমরা টেস্ট ক্রিকেটের বাইরে ছিলাম। এই সময়ে আমাদের খেলোয়াড়রা হয়তো এক-দুইটা চারদিনের ম্যাচ খেলেছে। যদি তারা ১০-১২টি চারদিনের ম্যাচ খেলত, তবে দ্রুত রান তোলার বিষয়ে তারা অভ্যস্ত হয়ে যেত।’

এসএইচ/এএইচএস