বিজ্ঞাপন

বিতর্কমুক্ত অ্যাথলেটিক্স মিটের অঙ্গীকার

বিতর্কমুক্ত অ্যাথলেটিক্স মিটের অঙ্গীকার

জাতীয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা মানেই টাইমিং ও ফলাফল নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা। গত বার ১০০ মিটার নারী স্প্রিন্ট ইভেন্টে ফল পেতে সাংবাদিকদের গলদঘর্ম হতে হয়েছে। ফটোফিনিশিং থাকার পরও সাবেক দ্রুততম মানবী ফল মেনে নেননি আবার ফেডারেশনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করতেও কয়েক ঘন্টা সময় লেগেছে।

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ৪৯ তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স। আজ সংবাদ সম্মেলনে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বলেন, 'গতবার একটি ইভেন্টে ফল জানাতে বিলম্ব হয়েছিল। এবার আশা করি সেই রকম হবে না। দ্রুতই সকল কিছু হবে।'

জাতীয় স্টেডিয়াম ফুটবল ও অ্যাথলেটিক্স যৌথভাবে ব্যবহার করে। ফুটবল মাঠে ঘাসের কাজ চলছে। তাই থ্রো ইভেন্টগুলো এবার বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে হবে। রানিং ও জাম্প ইভেন্ট জাতীয় স্টেডিয়ামেই হবে। বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের জন্য ইংল্যান্ড থেকে ঢাকায় এসেছেন। তিনি ১০০ ও ২০০ মিটার স্প্রিন্ট এবং ১০০*৪ মিটার রিলেতে অংশগ্রহণ করবেন।

প্রতি ইভেন্টে পদকজয়ীদের যথাক্রমে ৫,৩ ও ২ হাজার টাকা করে আর্থিক পুরস্কার থাকছে। কেউ রেকর্ড গড়লে গতবারের মতো ২০ হাজার টাকা পাবেন। গত বারের মতো এই বারও জাতীয় অ্যাথলেটিক্স হচ্ছে স্পন্সরশিপ ছাড়া। এ নিয়ে ফেডারেশন কর্মকর্তাদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বলেন, 'জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের অনুদান দিয়ে আমরা খেলা পরিচালনা করছি।'

বিগত কমিটি ফান্ডে ২ কোটি টাকা রেখেছিল। অ্যাথলেটিক্স অঙ্গনে গুঞ্জন, সেই অর্থ দিয়েই এই কমিটি খেলা পরিচালনা করছে। আজ সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্ন উঠলে সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'সেই ২ কোটি  টাকার মধ্যে দেড় কোটি টাকা এফডিআর করা হয়েছে। এখন ৬০ লাখের উপর রয়েছে। সেই টাকার উপর নির্ভর করলে তাহলে আমরা গত দেড় বছর তিনটা মিট কিভাবে করলাম।'

এজেড/এইচজেএস