নাজমুন নাহার বিউটি ১৭ বার দ্রুততম মানবীর খেতাব পেয়েছিলেন। শিরিন আক্তার আজ ৪৯তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে দ্রুততম মানবী হয়ে বিউটিকে স্পর্শ করেছেন। আগামী কোনো প্রতিযোগিতায় ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সেরা হলে সবচেয়ে বেশিবার দ্রুততম মানবী হওয়ার কৃত্তিত্ব অর্জন করবেন শিরিন।
বিউটি এবারের মিটে জাজ হিসেবে এসেছেন। কাছ থেকে দেখলেন নিজের রেকর্ড স্পর্শ করার মুহুর্ত। শিরিনকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, 'একজন অ্যাথলেট আরেক জন অ্যাথলেটের রেকর্ড স্পর্শ করবে এটা বড়ই আনন্দের। আশা করি সে সামনে আরো এগিয়ে যাবে।' বিউটির রেকর্ডে ভাগ বসিয়ে শিরিন বলেন, 'বিউটি আপু অত্যন্ত বড় মাপের খেলোয়াড়। তার সমান রেকর্ড হওয়ায় ভালো লাগছে।'
মেয়েদের বিভাগে গত সামার অ্যাথলেটিক্সে সুমাইয়া দেওয়ানের কাছে হেরেছিলেন শিরিন আক্তার। ১২.১০ সেকেন্ড সময় নিয়ে নিজের হারানো মুকুট পুনরুদ্ধার করে আবারও দেশের দ্রুততম মানবী হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে গতবারের চ্যাম্পিয়ন সুমাইয়া আক্তার টাইমিংয়ে পিছিয়ে পড়ে এবার চতুর্থ স্থান অধিকার করেছেন। এবার দ্রুততম মানবী হয়ে আগেরবারের ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন, 'গতবার আমার আচরণে অনেকে কষ্ট পেয়েছে এজন্য আগে দুঃখ প্রকাশ করছি। গতবার আমি ফলাফল সহজে মেনে নিতে পারেনি।' গত বছর বিয়ের পিঁড়িতে বসার পর এটিই তার প্রথম বড় শিরোপা। খেলাধুলার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে দেশের বাইরে পিএইচডি করার ইচ্ছার কথাও জানান যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী।
ইমরানুর রহমান ১০০ মিটার স্প্রিন্টে তার শ্রেষ্ঠত্ব অব্যাহত রেখেছেন। ১০.৫৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে ট্র্যাকে সবার আগে ফিনিশিং লাইন স্পর্শ করেন তিনি। এই ইভেন্টে ১০.৮৬ সেকেন্ড টাইমিং করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন নৌবাহিনীরই মোহাম্মদ ইসমাইল এবং ১০.৯১ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর নাইম ইসলাম। গত বছরের আগস্টে অনুষ্ঠিত জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকসের (১০.৬৪ সেকেন্ড) তুলনায় এবার ইমরানুরের টাইমিং কিছুটা বেশি লেগেছে, তবে দেশের মাটিতে নিজের অপরাজেয় রেকর্ড ধরে রেখেছেন তিনি। ২০২২ সাল থেকে ঘরোয়া ট্র্যাকে অংশ নেওয়া ৬টি প্রতিযোগিতার সব কটিতেই স্বর্ণ জিতেছেন এই স্প্রিন্টার। ইনজুরি কাটিয়ে ট্র্যাকে ফেরা ইমরানুর সামনে এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমসে ভালো খেলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আজ প্রথম দিনে দু'টি রেকর্ড হয়েছে। দু'টি রেকর্ডই শটপুটে। একটি করেছেন গোলাম সারওয়ার আরেকটি জান্নাত।
এজেড/এইচজেএস
