বিজ্ঞাপন

কোলম্যান আসছে না বাংলাদেশে, ২৪ মে ঢাকায় আসবেন নতুন কোচ

কোলম্যান আসছে না বাংলাদেশে, ২৪ মে ঢাকায় আসবেন নতুন কোচ

হামজা-জামালদের পরবর্তী কোচ কে হচ্ছেন এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছেই। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ১৫ মে'র মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে চেয়েছিলেন। তিন দিন পর আজ সন্ধ্যায় বাফুফে সভাপতি সাংবাদিকদের সামনে কোচ ইস্যুতে কথা বলেছেন।

বাফুফে সভাপতি বলেন, '১৫ মে'র মধ্যেই আমরা কোচ চূড়ান্ত করেছিলাম। যখন চুক্তির দিকে এগিয়ে ছিলাম তখন এজেন্টের ফি'র বিষয়টি আসে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এজেন্টের ফি'দিয়ে চুক্তি করতে আগ্রহী নয়। এজেন্টের ফি ছাড়া তারাও চুক্তিতে রাজী নয়। ফলে সেটা সেখানেই থেমে যায় এবং আমরা নতুন করে আরেকজনের সাথে কাজ করছি। সেটা আজ-কালের মধ্যে আপনারা জানতে পারবেন।'

বাফুফে সভাপতি ১৫ মে পারিবারিক কাজে থাইল্যান্ড যান। কোচের নাম ঘোষণা না করে থাইল্যান্ড যাওয়ায় নানা মাধ্যমে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছিল। এতে তিনি ব্যথিত হয়ে বলেন, 'পরিবারের প্রাধান্য অবশ্যই আমার কাছে আগে। আপনারা যে কোনো সিদ্ধান্ত বা কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করতে পারেন সেটা অবশ্যই সাধুবাদ যোগ্য। এসব ক্ষেত্রে পরিবারকে টেনে আনবেন না, এই অনুরোধ থাকল।'

ওয়েলসের কোচ ক্রিস কোলম্যানকে নিয়ে বাফুফে আগ্রহী ছিল এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও ইতিবাচক ছিলেন। এজেন্ট ফি ইস্যুতে বাফুফে-কোলম্যান চুক্তি হয়নি। ৫ জুন বাংলাদেশ সান মারিনোতে খেলবে। ২৪ মে থেকে জাতীয় দলের ক্যাম্প। ঐ দিন থেকেই কোচ আনার পরিকল্পনা তাবিথের,‌ 'আপনাদের এটা নিশ্চয়তা দিতে পারি নতুন বিদেশি কোচের অধীনে বাংলাদেশ সান মারিনোতে খেলবে এবং সেই কোচ ২৪ মে শুরু থেকেই থাকবে।'

বাফুফের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন কোলম্যানের সঙ্গে জার্মান কোচ ব্রেন্ড স্টোকস, টমাস ডুলি। কার সঙ্গে আলোচনা চলছে সেটা বাফুফে সভাপতি জানাননি এমনকি কোন মহাদেশের কোচ সেটাও তিনি বলেননি। কোলম্যানের জন্য ব্যয় ছিল অনেক বেশি। এজন্য ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহায়তা প্রয়োজন ছিল। এখন যার সঙ্গে আলোচনা চলছে তার জন্যও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চান বাফুফে সভাপতি, 'এত বেশি সহযোগিতা লাগবে না তবে কিছুটা প্রয়োজন হবে।'

বাফুফে দুই বছরের জন্য জাতীয় দলের কোচ নিয়োগ দেবে। দুই বছরের কোচিং স্টাফের পেছনে অনেক টাকা ব্যয় হবে। এর বিপরীতে কোচদের লক্ষ্য নির্ধারণ নিয়ে বাফুফে সভাপতি বলেন, 'এটা আলোচনাযোগ্য বিষয়। আমরা আমাদের খেলার মান উন্নয়ন চাই। তাই ভালো মানের কোচই নিয়োগ দেয়ার লক্ষ্য।' 

এজেড/এইচজেএস