বড় জমকালো আয়োজন হলো ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে। রিও ডি জেনিরোর মিউজিয়াম অব টুমরোতে এক ঘণ্টার অনুষ্ঠান হলো। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় দল ঘোষণার কথা থাকলেও তা হলো সন্ধ্যা ৬টার কয়েক মিনিট পর। নেইমার ও তার ভক্তদের যেন তর সইছিল না আনচেলত্তির মুখ থেকে ২৬ জনের নাম শুনতে। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটল। নেইমার পেলেন খুশির খবর।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিলের যে চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দল আনচেলত্তি ঘোষণা করেছেন, তাতে আছে নেইমারের নাম, এই দল ঘোষণা ঘিরে যাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে। ৫৫ জনের প্রাথমিক দল থেকে চূড়ান্ত স্কোয়াডেও টিকে গেলেন তিনি। অথচ আনচেলত্তি আসার পর নিজের ফিটনেসের প্রমাণ দিতে কত কষ্টই না করেছেন ৩৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড!
দীর্ঘ আড়াই বছর পর নেইমার সফলভাবে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলে ফিরেছেন। ২০২৩ সালের পর এই প্রথম এই ফরোয়ার্ড জাতীয় দলে ফিরছেন। ২০২২ সালের বিশ্বকাপের পর ইনজুরি ও ক্লাব বদলের কারণে মাত্র চার ম্যাচ ব্রাজিলের জার্সি গায়ে দেন তিনি। সম্প্রতি তার মাঠের পারফরম্যান্স দেখে সন্তুষ্টি হয়ে আস্থা রাখলেন ইতালিয়ান কোচ।
প্রত্যাশা অনুযায়ী, দল ঘোষণায় ছিল বড় বড় তারকাদের উপস্থিতি ও কিছু চমক। ফুটবলের অন্যতম নামী এই কোচের অধীনে, পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও একমাত্র দেশ হিসেবে প্রতিটি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী সেলেসাওরা এবার এক ঝাঁক তারকা ও নতুন উদ্যম নিয়ে মাঠে নামবে।
এই দলে অভিজ্ঞ ও প্রবীণ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড়দের এক দারুণ সমন্বয় ঘটেছে। তবে দলে জায়গা না পাওয়া বড় চমকগুলোর মধ্যে অন্যতম হলেন রদ্রিগো। অবশ্য ইনজুরির কারণে তার বাদ পড়া একপ্রকার নিশ্চিত ছিল। ইগর থিয়াগো, এন্দ্রিক ও লুইজ হেনরিকের অন্তর্ভুক্তিও চমক দেখিয়েছে।
সেলেসাওরা রয়েছে 'সি' গ্রুপে এবং তারা মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচে একটি কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে তাদের। পরের দুই ম্যাচ হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলরক্ষক: আলিসন, এদেরসন ও ওয়েভারটন;
রক্ষণভাগ: অ্যালেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডি. সান্তোস, মাগালিয়ায়েস, ইবানিজ, লিও পেরেইরা, মার্কুইনহোস ও ওয়েসলি;
মধ্যমাঠ: ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো, ফ্যাবিনিয়ো ও পাকেতা;
আক্রমণভাগ: এন্দ্রিক, মার্তিনেল্লি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাথেউস কুনহা, নেইমার জুনিয়র, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া ও রায়ান।
এফএইচএম/এসএইচএ

