আগের মৌসুমে উসমান দেম্বেলে সব প্রতিযোগিতা মিলে ৫৩ ম্যাচে ৩৫ গোল ও ১৬ অ্যাসিস্ট করেছিলেন। পিএসজিকে প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতাতে ইউরোপ সেরার মঞ্চেও ৮ গোল ও ৬ অ্যাসিস্টে অসামান্য অবদান রাখেন। স্বীকৃতি হিসেবে পান ব্যালন ডি’অর। চলতি মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ১৩ ম্যাচে দুটি করে গোল ও অ্যাসিস্ট। ফাইনালে আর্সেনালের বিপক্ষে সমতাসূচক গোল আসে তার পেনাল্টি শটে।
টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ে অবদান রেখে উচ্ছ্বসিত এই ফরাসি তারকা, ‘এটা একটা বড় রাত ছিল। টানা শিরোপা জিততে আমরা পুরো মৌসুমে কঠোর পরিশ্রম করেছি।’
অনেক কঠোর পরিশ্রমের সুফল পাওয়ার কথা বললেন তিনি, ‘এটা ছিল অসাধারণ। আমরা এই মুহূর্তটা পুরোপুরি উপভোগ করব। এটা ছিল কঠিন—পুরো মৌসুম ছিল কঠিন এবং অনেক কিছুর সঙ্গে আমাদের মোকাবেলা করতে হয়েছে। কিন্তু শেষে আমরা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতলাম আবার এবং আমরা সবাই আনন্দিত।’
শেষ দিকে পাওয়া চোট নিয়ে দেম্বেলে স্বস্তির খবর দিলেন, ‘শেষ দিকে পেশিতে টান পড়েছিল। ৮০তম মিনিটে একটু বেশিই খারাপ অবস্থা ছিল। আমি মনে করি শেষ দিকে সবার পেশিতেই টান ধরেছিল।’
পিএসজি প্রেসিডেন্ট নাসের আল খেলাইফি তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘প্রথমটা ছিল বিশেষ, আর টানা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা আমাদের জন্য খুবই বিশেষ। আমরা আবারও জিততে চাই। এখানেই থামতে চাই না।’
ম্যাচসেরা হয়েছেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ভিতিনহা। তাকে নিয়ে উয়েফা এক বিবৃতি দিয়েছে, ‘ভিতিনহা ছিলেন আজ রাতে প্যারিসের সেরা খেলোয়াড়। সে মাঝমাঠের দায়িত্ব নিয়েছিল, বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে। তার দলকে এগিয়ে নিয়েছে এবং ছন্দ তৈরি করেছিল। পর্তুগিজ মিডফিল্ডারের কাছ থেকে এটি ছিল চমৎকার পারফরম্যান্স।’
এফএইচএম
