২০২৫ সালের ২ জুন পর্যন্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু কোনো আইপিএল শিরোপা জিততে পারেনি। এখন প্রায় এক বছরের মধ্যে টানা দুইবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হলো তারা। সংখ্যায় সংখ্যায় তাদের সাফল্যের গল্প জেনে নেওয়া যাক-
৩
তৃতীয় দল হিসেবে বেঙ্গালুরু আইপিএলে শিরোপা ধরে রাখল। ২০১১ সালে চেন্নাই সুপার কিংস ও ২০২০ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এই কীর্তি গড়েছিল। এবার তাদের সঙ্গে যোগ দিলো বেঙ্গালুরু।
সব মিলিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে বেঙ্গালুরু একাধিক আইপিএল শিরোপা জিতল। মুম্বাই ও চেন্নাই পাঁচটি করে এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স তিনটি ট্রফি জিতেছে।
১
রজত পাতিদার প্রথম অধিনায়ক হিসেবে তার প্রথম দুটি মৌসুমেই শিরোপা জিতল। তৃতীয় অধিনায়ক হিসেবে তিনি টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনি (২০১০ ও ২০১১) ও রোহিত শর্মার (২০১৯ ও ২০২০) পাশে বসলেন।
২৫
গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ফাইনালে ফিফটি করতে বিরাট কোহলি ২৫ বল খেলেছেন। দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের (দিল্লি ক্যাপিটালস) ও রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ২০১৮ সালে ২৬ বলে করা ফিফটি ছিল তার আইপিএল ক্যারিয়ারের দ্রুততম। কোহলির ২৫ বলে ফিফটি ফাইনালে যৌথভাবে চতুর্থ দ্রুততম।
২২
কোহলি আইপিএল ম্যাচসেরা হয়েছেন ২২ বার, ভারতীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চে। রোহিত (২১) পেছনে ফেলেছেন তিনি। কেবল এবি ডি ভিলিয়ার্স (২৫) কোহলির সামনে। ক্রিস গেইলও ২২ বার ম্যাচসেরা হয়েছেন। এই প্রথমবার আইপিএলের নকআউট ম্যাচে সেরা খেলোয়াড় হলেন কোহলি।
৮৮.০০
কোহলির ৭৫ রানের মধ্যে লেগ সাইডে এসেছে ৮৮ শতাংশ রান। আইপিএল পঞ্চাশ ছাড়ানো স্কোরে এটাই সর্বোচ্চ। ফাইনালে মাত্র ৯ রান এসেছে অফসাইড থেকে। ৩৮ রান করার পর অফসাইডে প্রথম রান এসেছে।

৮৮
সদ্য শেষ আইপিএলে কোহলি কাগিসো রাবাদার বলে ৮৮ রান তুলেছেন, এক মৌসুমে কোনো একজন বোলারের বিরুদ্ধে এটাই কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ রান। এই আসরেই জোফরা আর্চারের বলে ইশান কিষাণের ৭৪ রানকে টপকে গেছেন তিনি। এই মৌসুমে রাবাদার বিরুদ্ধে ৩৭ বল খেলে কোহলি ১৮ বাউন্ডারি মেরেছেন, ১৪টি চার ও ৪ ছয়।
৫-০
আইপিএল ফাইনালে খেলোয়াড় হিসেবে ক্রুনাল পান্ডিয়ার জয় পরাজয়ের রেকর্ড। কেবল রোহিত ও আম্বাতি রাইডু তার চেয়ে বেশিবার ফাইনাল জিতেছেন, দুজনেই ৬টি করে। জশ হ্যাজেলউডও আইপিএলে তিন ফাইনাল খেলে এবং ছয় টি-টোয়েন্টি ফাইনালের সবগুলোই জিতেছেন।
২৮
এই আইপিএলে ভুবনেশ্বর কুমার ২৮ উইকেট নিয়েছেন। এক মৌসুমে কোনো ভারতীয় বোলারের যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। হার্শাল প্যাটেলের ৩২ (২০২১) সর্বোচ্চ, মোহাম্মদ শামিও ২০২৩ সালে ২৮ উইকেট নেন।
রাবাদা ২৯ উইকেট নিয়ে ভুবনেশ্বরকে টপকে দ্বিতীয়বার পার্পল ক্যাপ জিতেছেন। ডোয়াইন ব্রাভো, ভুবনেশ্বর ও হার্শাল প্যাটেলের মতো তিনিও দুটি পার্পল ক্যাপ জিতলেন।
৩৭ বছর ও ২০৭ দিন
রোববার দ্বিতীয় বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে ফাইনালে ম্যাচসেরা হলেন কোহলি, ৩৭ বছর ও ২০৭ দিন বয়সে। তিনি ২০০৯ ফাইনালে ৩৮ বছর ও ২১৯ দিন বয়সী অনিল কুম্বলেকে ছাপিয়ে এই রেকর্ডের মালিক হলেন।
৩/২৭
আইপিএল ফাইনালে আনক্যাপড খেলোয়াড়ের দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার এটি। রাশিখ সালাম ২৭ রান খরচায় তিন উইকেট নিয়েছেন। ২০১৪ সালে কলকাতার বিপক্ষে কারানবীর সিংয়ে ৫৪ রান খরচায় চার উইকেট সবার উপরে।
এফএইচএম
