ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আর মাত্র সপ্তাহখানেক সময় বাকি। প্রতিযোগী ৪৮ দেশ তাদের শেষ সময়ের প্রস্তুতি সারছে, নির্ধারিত হয়ে গেছে কোন ম্যাচে তারা কোন জার্সি পরবে সেটিও। তবে ফিফার অনুমোদন না পাওয়ায় এবারের আসরে প্রায় ১৮টি দেশ তাদের সুনির্দিষ্ট জার্সি গায়ে তুলতে পারবে না। বিশেষ করে গ্রুপপর্বের ম্যাচে যেসব জার্সি পরার অনুমতি মেলেনি।
বিশ্বকাপের আগে ৪৮টি দল মোট ১০৮ স্ট্রাইপসের (গোলরক্ষকের কিট বাদে) জার্সি প্রকাশ করেছিল। এর মধ্যে ৮৭টি পরে খেলতে দেখা যাবে ফুটবলারদের। প্রতিটি দেশ ন্যূনতম দুটি প্রধান জার্সি প্রস্তুত করেছে, যা ‘হোম’ এবং ‘অ্যাওয়ে’ হিসেবে সচরাচর পরিচিত। এর বাইরেও ১২টি দেশ তৃতীয় কিট বানিয়েছে।
আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে হবে ৭২টি ম্যাচ, এসব ম্যাচে কোন দল কোন জার্সি পরবে তা নির্ধারণ করে দিয়েছে ফিফা। তবে এখানে অনুমতি মেলেনি এমন জার্সি পরবর্তী রাউন্ডে হয়তো দেখা যেতেও পারে। সেক্ষেত্রে আগে গ্রুপপর্ব পেরোতে হবে দলগুলোকে। অনুমতি না পাওয়া জার্সির মধ্যে বেশিরভাগই অ্যাওয়ে অথবা তৃতীয় কিট। যদিও ঘানা এবং উজবেকিস্তান গ্রুপপর্বের কোনো ম্যাচেই হোম জার্সি পরবে না।

গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচের কোনোটিতেই নিজেদের অ্যাওয়ে জার্সি পরার অনুমতি পায়নি পর্তুগাল, সেনেগাল, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, কুরাসাও, ডিআর কঙ্গো, ইরান, আইভরি কোস্ট, জাপান ও দক্ষিণ আফ্রিকা। আর সেসব ম্যাচে তৃতীয় জার্সি পরার অনুমতি চেয়েও ব্যর্থ হয়েছে ইকুয়েডর, হাইতি, ইরাক ও জর্ডান।
আবার কয়েকটি দেশ (কানাডা, মেক্সিকো, পানামা ও কেপ ভার্দে) তাদের তিনটি ভিন্ন জার্সিই গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচে পরতে পারবে। ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড তাদের দুটি জার্সিই পরবে গ্রুপপর্বে, স্কটিশদের গোলরক্ষক তিন ম্যাচে পরতে পারবে তিনটি ভিন্ন জার্সি। ‘সি’ গ্রুপে তারা লড়বে হাইতি, মরক্কো ও ব্রাজিলের বিপক্ষে।
এএইচএস

