অনেক নাটকীয়তার পর ব্রাজিলের চূড়ান্ত বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়েছিলেন নেইমার জুনিয়র। যদিও স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার দিন দুয়েক পরই নতুন করে চোটে পড়েন। ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপের আগে পানামার বিপক্ষে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারেননি।
এবার মিসরের বিপক্ষে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচের দল থেকেও ছিটকে গেলেন। শঙ্কা থাকছে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলা নিয়েও।
বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র আর কয়েক দিন বাকি। অথচ নেইমার এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) জানিয়েছে, নেইমার নিউ জার্সিতেই থেকে যাবেন। সেখানে ফিজিওথেরাপি ও বিশেষ পুনর্বাসন কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন তিনি। দলের সঙ্গে ক্লিভল্যান্ডে গিয়ে মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে অংশ নেবেন না।
গত ১৭ মে ব্রাজিলিয়ান লিগে সান্তোসের হয়ে খেলতে গিয়ে পায়ে চোট পান নেইমার। শুরুতে সান্তোস চোটটিকে ‘সামান্য ফোলাভাব’ হিসেবে উল্লেখ করলেও পরে সিবিএফের করানো এমআরআই পরীক্ষায় দ্বিতীয় মাত্রার (গ্রেড-২) পেশির চোট ধরা পড়ে। চিকিৎসকদের হিসেবে, এমন চোট থেকে সেরে উঠতে সাধারণত দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগে।

চোট পাওয়ার ১৮ দিন পার হয়ে গেলেও এখনো মাঠে ফেরার মতো অবস্থায় পৌঁছাতে পারেননি ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। গত রোববার পানামার বিপক্ষে ৬-২ গোলের জয়ে তিনি শুধু বেঞ্চে বসে ম্যাচ দেখেছেন। মিসরের বিপক্ষেও খেলতে না পারায় আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তার অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর থেকে নেইমার বেশির ভাগ সময় জিমেই কাজ করেছেন। মাঠে নেমেছেন কেবল হালকা অনুশীলনের জন্য। তবে ব্রাজিল কোচ কার্লো অ্যানচেলত্তি এখনো আশাবাদী। ইতালিয়ান এই কোচ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ দলে কোনো পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই তার। অ্যানচেলত্তি বলেছেন, “একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই—নেইমার আমাদের সঙ্গেই থাকবে। আমরা শতভাগ নিশ্চিত, দলে কোনো পরিবর্তন হবে না। যে ২৬ জনকে বেছে নেওয়া হয়েছে, তারাই বিশ্বকাপে খেলবে।”
এফআই

