ফুটবল মাঠে খেলার দেখার পাশাপাশি উৎসব করতেই যান দর্শক-সমর্থকরা। বাঁশি, আতশবাজি নিয়ে গ্যালারিতে ঢোকেন তারা। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে যেমন ভুভুজেলা বাঁশির আবির্ভাব হয়েছিল। বেশ আলোচিত হয়েছিল লম্বা প্লাস্টিকের এই বাঁশি। কিন্তু আসন্ন বিশ্বকাপে স্টেডিয়াম আচরণবিধি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর সব ভেন্যুতে ভুভুজেলা নিষিদ্ধ করেছে ফিফা।
দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ভুভুজেলা। দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপে এটি ঝড়ের বেগে আলোচনায় আসে। কিন্তু একঘেয়ে টানা শব্দের জন্যে এটি সমালোচিত হয়, মৌমাছির ঝাঁকের সঙ্গে তুলনা করা হয় এই শব্দকে।
ভুভুজেলার পাশাপাশি অন্য বাঁশি, এয়ার হর্ন ও অন্য মাত্রাতিরিক্ত শব্দ তৈরি করে এমন ডিভাইস ১৬ বিশ্বকাপের সব ভেন্যুতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া লেজার বিম, লেজার পয়েন্টার্স কিংবা এই ধরনের কিছুও নিষিদ্ধ হয়েছে।
শরীরে আঁকিবুকি ও ট্যাটুকে পোশাক হিসেবে তুলে ধরা যাবে না। নগ্ন হয়ে দৌড়ানো, নগ্নতা প্রদর্শন কিংবা শরীরের গোপন অংশ প্রদর্শন করতে পোশাক খোলাও যাবে না। নিরাপত্তাঝুঁকির কথা ভেবে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির বোতলও ভেন্যুতে ব্যবহার করতে পারবেন না দর্শকরা।
আচরণবিধি অনুযায়ী, এই নিয়মগুলো লংঘন করলে দর্শকদের স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বা বের করে দেওয়া হবে।
এফএইচএম

