ম্যাক্সি রদ্রিগেজের মতো লিওনেল মেসিকে খুব কম লোকই চেনে। তারা একসঙ্গে মাঠে কাটিয়েছেন বলেই নয়, তারা নিওয়েল’স ওল্ড বয়েসের একই অ্যাকাডেমি থেকে উঠে এসেছেন।
রোজারিওতে অগণিত শিশু ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখে বড় হয়। রাস্তায় রাস্তায় ও ক্লাবে তার প্রমাণ মেলে। মেসি ও রদ্রিগেজের যাত্রাও শুরু একইভাবে। যদিও শীর্ষে ওঠার পথটা ছিল ভিন্ন। একজন অল্প বয়সে ইউরোপে, আরেকজন আর্জেন্টিনাতেই।
লা আলবিসেলেস্তের হয়েও দুজনের পথ ভিন্ন দিকে গেছে। ২০০৬ সালের ১৬ জুন মেসির বিশ্বকাপ অভিষেক হয়। সার্বিয়া অ্যান্ড মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে ৬-০ গোলে জয়ের সেই ম্যাচে ৭৫ মিনিটে দুই গোল করা রদ্রিগেজের বদলে মাঠে নামেন মেসি। ফিফার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সাবেক উইঙ্গার রসিকতা করে বললেন, ‘আমি তার সঙ্গে মজা করে সবসময় বলতাম, আমরা যখন হাইফাইভ করি, তখন আমি তার মধ্যে জাদু ছড়িয়ে দেই।’
বিশ্বকাপে মেসির সঙ্গে তিন আসরে খেলেছিলেন রদ্রিগেজ। ২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪ সালের তিন আসরেই জার্মানির কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল, দুইবার কোয়ার্টার ফাইনালে ও একবার ফাইনালে।
প্রায় চার বছর আগে মেসিতে চড়ে আর্জেন্টিনা ৩৬ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়েছে। তারই নেতৃত্বে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করবে আলবিসেলেস্তেরা। রদ্রিগেজের বিশ্বাস, মেসির আরেকটি ট্রফি নেওয়ার ক্ষুধা এতটুকু কমেনি।
মেসিকে নিয়ে ৪৫ বছর বয়সী সাবেক উইঙ্গার বললেন, ‘সাফল্যের তীব্র ক্ষুধা ও আবারও ইতিহাস গড়ার আকাঙ্ক্ষা মেসির আসল শক্তি। সে চলতেই থাকে, তাকে কিছুই থামাতে পারে না। নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার গর্বের জন্য সে খেলে, অন্য কিছুই তার মনের মধ্যে নেই, এমনকি রেকর্ড ভাঙার ব্যাপারও।’
তিনি বললেন, ‘আবারও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে চায় সে। তার মধ্যে যে ক্ষুধা, সে কারণেই সবকিছু পাওয়ার চেষ্টা করে। সেই মানসিকতা ও চালিকাশক্তি ছাড়া এতকিছু সে জিততে পারতো না। এ কারণে আর্জেন্টিনার আইকনিক ১০ নম্বর জার্সিতে আবারও তাকে নিয়ে আরেকটি বিশ্বকাপ উপভোগ করতে যাচ্ছি আমরা।’
এফএইচএম

