বিশ্বকাপের প্রস্তুতির শুরুতে আর্জেন্টিনা হন্ডুরাসের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জিতেছে। ম্যাচে ইনজুরিতে আক্রান্ত তো বটেই, প্রায় সেরে উঠেছেন—এমন খেলোয়াড়দেরও মাঠে নামাননি লিওনেল স্কালোনি। লিওনেল মেসি, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, নাহুয়েল মলিনা, গঞ্জালো মন্তিয়েলের মতো নিয়মিত ৬ খেলোয়াড় পুরোটা সময় বেঞ্চে ছিলেন। আর এ কারণে নিয়মিত ম্যাচের বাইরে গিয়ে স্কালোনি এই ম্যাচে কিছু নতুন কৌশল ও পজিশন পরীক্ষা করে দেখেন। বিশেষ করে জিউলিয়ানো সিমিওনে ও জিওভানি লো সেলসোর পজিশনে একটু নতুনত্ব আনেন।
অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের উইঙ্গার সিমিওনে সাধারণত ডান প্রান্তে খেলেন। কিন্তু ম্যাচের শুরুতে তাকে বাম প্রান্তে নামানো হয়। শুরুর দিকে কিছুটা অস্বস্তিতে থাকলেও ম্যাচের ৬ মিনিটের মাথায় দূর থেকে একটি দারুণ শট নেন যা প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দেন।
ম্যাচের ৪০ মিনিটের দিকে লাউতারো মার্টিনেজের পেনাল্টি গোলের পর স্কালোনি সিমেওনেকে তার পরিচিত ডান উইংয়ে সরিয়ে নেন। পজিশন পরিবর্তনের পর লো সেলসো ও লাউতারোর চমৎকার পাসিং কম্বিনেশন থেকে বল পেয়ে সিমিওনে ডান পায়ের শটে দলের পক্ষে দ্বিতীয় গোলটি করেন।
রিয়াল বেতিসের তারকা লো সেলসো ম্যাচে লিওনেল মেসির অনুপস্থিতিতে তার জায়গায় অর্থাৎ ডান উইংয়ে খেলা শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে তিনি দারুণ ছন্দ খুঁজে পান। ১২ মিনিটে একটি দুর্দান্ত থ্রু-বল বাড়িয়ে আক্রমণের সুযোগ তৈরি করেন এবং ৩৩ মিনিটে মেসির ট্রেডমার্ক স্টাইলে ডান দিক থেকে কাট-ইন করে শট নেন, যা বারে লেগে ফিরে আসে। এর পরপরই আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পায়।
পরবর্তীতে তাকে মাঠের মূল প্লেমেকার হিসেবে মাঝমাঠে নিয়ে আসা হয়, যা তার সবচেয়ে পছন্দের পজিশন। সিমিওনের করা গোলটিতেও তার বিশেষ অবদান ছিল। বলা চলে, মেসির অনুপস্থিতিতে লো সেলসোর প্লেমেকিং ক্ষমতা ও সিমেওনের উইং পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি স্কালোনির জন্য বেশ সফল একটি পরীক্ষা ছিল।
এফএইচএম

